আপনি পড়ছেন

এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভরাডুবি হয়েছে আফগানিস্তানের। সুপার টুয়েলভে একমাত্র দল হিসেবে তারাই কোনো জয় পায়নি। দুই পয়েন্ট আফগানরা পেয়েছে বৃষ্টির কল্যাণে। খুব স্বাভাবিকভাবেই বিশ্বমঞ্চ থেকে এমন বিদায়ে হতাশ যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটি।

mohammad nabi captainহাটে হাঁড়ি ভাঙলেন নবি

সুপার টুয়েলভে পাঁচ ম্যাচের তিনটিতে হেরেছে আফগানিস্তান। পরিত্যক্ত হয়েছে দুটি ম্যাচ। দলের ব্যর্থতায় দায় এড়াতে পারেন না অধিনায়ক মোহাম্মদ নবিও। তবে ব্যর্থতার কারণ তুলে ধরে আজ শুক্রবার নেতৃত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিলেন তিনি।

পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থাকলেও এটা বিশ্বকাপে আফগানদের প্রকৃত পারফরম্যান্স পরিষ্কার করছে না। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হারলেও অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করেছে তারা। একটু এদিক-ওদিক হলে ম্যাচ দুটি জিততেও পারতো আফগানরা।

ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সেও নবির জন্য আসরটা ভালো কাটেনি। তিন ম্যাচে ব্যাট হাতে করেছেন ১৭ রান। আর উইকেট পেয়েছেন একটি। শেষ পর্যন্ত নেতৃত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিলেন ৩৭ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার। আজ টুইটারে এক পোস্টে সরে দাঁড়ানোর কথা জানান তিনি। একই সঙ্গে নবি কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন টিন ম্যানেজমেন্ট ও নির্বাচকদের।

আফগান অলরাউন্ডার বলেছেন, ‘গত বছর থেকে আমাদের প্রস্তুতি ভালো ছিল না। সেটা অধিনায়ক হিসেবে এই ধরনের টুর্নামেন্টে আমার কাছে যথেষ্ট মনে হয়নি। সবশেষ সফরগুলোতে আমাদের ম্যানেজার, নির্বাচক কমিটির সিদ্ধান্তের সঙ্গে আমি একমত ছিলাম না। যা দলের ভারসাম্যের ওপর (নেতিবাচক) প্রভাব ফেলেছে।’

নবি যোগ করেন, ‘এ কারণে সবার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমি নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি।  তবে ম্যানেজমেন্ট আমাকে প্রয়োজন মনে করলে আমি দেশের জন্য খেলব। আমাদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ হয়েছে। আমাদের সমর্থকরা এমন ফলাফল আশা করেননি। ম্যাচগুলো ফলাফল নিয়ে আপনাদের মতো আমরাও হতাশ।’

গত বছর সংযুক্ত আরব আমিরাতে বিশ্বকাপের পর টি-টোয়েন্টি সংস্করণের নেতৃত্ব ছাড়েন রশিদ খান। পরে নবির হাতে তুলে দেওয়া হয় জোয়াল। তার অধিনায়কত্বে গত এক বছরে নিজেদের হারিয়ে খুঁজেছে আফগানরা। যেটার প্রভাব পড়ল এবারের অস্ট্রেলিয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে।