আপনি পড়ছেন

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বিদায় প্রায় নিশ্চিত জিম্বাবুয়ের। তাদের সম্ভাবনা টিকে আছে কেবল গাণিতিক হিসেবে। অপরদিকে সুপার টুয়েলভে নিজেদের শেষ ম্যাচে ভারতকে জিততে তো হবেই, তাকিয়ে থাকতে হবে অনেককিছুর ওপর। যদিও যদি, কিন্তু তথাপি এসব নিয়ে ভাবছে না জিম্বাবুয়ে।

rohit sharma and craig ervineবিশ্বকাপ থেকে বিদায় প্রায় নিশ্চিত জিম্বাবুয়ের

শেষ ম্যাচ জয়ই চাওয়া আফ্রিকান দলটির। তাদের প্রতিপক্ষ শিরোপা প্রত্যাশী ও গ্রুপ-২ এর শীর্ষ দল ভারত। কিন্তু রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলিদের ভয় পায় না জিম্বাবুয়ে। ম্যাচের আগে বেশ আত্ববিশ্বাসী দেখা গেল তাদের। সাবেক চ্যাম্পিয়নদের রীতিমতো হুমকি দিয়ে বসল তারা।

ভারতের বিপক্ষে জয়ের স্বপ্ন দেখছে জিম্বাবুয়ে। তাদের এই স্বপ্ন দেখাটা অবশ্য অমূলক নয়। টি-টোয়েন্টি সংস্করণে কখন যে কী ঘটে যায় সেটার নিশ্চয়তা দেওয়া কঠিন। তা ছাড়া এই বিশ্বকাপেই তো পাকিস্তানকে হারিয়েছেন সিকান্দার রাজা, ক্রেইগ আরভিনরা।

এবার পাকিস্তানের চিরশত্রু ভারতের মুখোমুখি হচ্ছে জিম্বাবুয়ে। বাবর আজমদের বিপক্ষে পাওয়া সেই জয়টা এখন ভারত ম্যাচে নিজেদের অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখছে তারা। জিম্বাবুইয়ানরা বিশ্বাস রাখছেন নিজেদের ওপর। দলটির অধিনায়ক আরভিন এমনটাই জানিয়েছেন।

শনিবার সংবাদমাধ্যমকে ভারত ম্যাচ নিয়ে আরভিন বলেছেন, ‘আমরা পাকিস্তানের বিপক্ষে জিতেছি। ওই জয়টা আমাদের অনেক অনুপ্রাণিত করেছে। নিজেদের ওপর বিশ্বাস তৈরি করেছে যে, এই টুর্নামেন্টে আমরা যে কোনো দলকে হারাতে পারি। আগামীকালও (রোববার) আমাদের ভাবনাটা বদলাবে না।’

জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক যোগ করেন, ‘আমার মনে হয় এবারের বিশ্বকাপটা খুব উপভোগ্য হচ্ছে বেশি কিছু নাটকীয় ম্যাচের জন্য। এবার আমরা শিখেছি কীভাবে স্নায়ুচাপ ধরে রেখে খেলতে হয়। আপনি যদি চেষ্টা করেন, ম্যাচ নিয়ে মগ্ন থাকেন তখন আপনি জানেন না কী হতে পারে। তবে প্রতিটি ম্যাচেই অনেক চাপ তাকে।’

পাকিস্তানের বিপক্ষে জিতলেও শেষ বলে বাংলাদেশের কাছে হেরেছে জিম্বাবুয়ে। ওই হারের হতাশা এখনো ছুঁয়ে যাচ্ছে দলটির অধিনায়ক আরভিনকে, ‘বাংলাদেশের বিপক্ষে হেরে যাওয়াটা খুব হতাশার। বিশেষ করে আমরা (জয়ের) খুব কাছেই ছিলাম। এটা ঠিক প্রতিপক্ষ আমাদের চেয়ে ম্যাচে বেশি নিয়ন্ত্রণ রেখেছে।’