আপনি পড়ছেন

টানা দুই পরাজয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু করে পাকিস্তান। এরপর টানা দুই জয় তুলে নিয়ে সেমিফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখে বাবর আজম অ্যান্ড কোং। শেষ চারে যেতে হলে বাংলাদেশকে হারাতেই হতো জায়ান্টদের। সে সমীকরণ মিলিয়েছে সাকলাইন মুশতাকের শিষ্যরা। সাকিব আল হাসানদের ৫ উইকেটে হারিয়ে চতুর্থ দল হিসেবে সেমিফাইনালের টিকিট কেটেছে দলটি।

bangladesh vs pakistan 5গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিলো সাকিবরা

অ্যাডিলেড ওভালে আগে ব্যাট করে ১২৭ রান জড়ো করে বাংলাদেশ। জবাব দিতে নেমে ১১ বল হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় পাকিস্তান। ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ধীরগতির ব্যাটিং করেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার মোহাম্মদ রিজওয়ান ও বাবর আজম। নাসুম আহমেদের বলে মোস্তাফিজুর রহমানের হাতে ক্যাচ দেওয়ার আগে ৩৩ বলে ২৫ রান করেন পাকিস্তান অধিনায়ক। সেই সাথে ভাঙে ৫৭ রানের উদ্বোধনী জুটি। কিছুক্ষণ পর রিজওয়ানকেও হারায় পাকিস্তান।

৩২ বলে সমান রান করে পেসার এবাদত হোসেন চৌধুরীর শিকার হন এই তারকা ব্যাটার। ১৫তম ওভারে মোহাম্মদ নাওয়াজকেও হারায় পাকিস্তান। এরপর কিছুটা চাপের মুখে পড়ে সাবেক চ্যাম্পিয়নরা। কিন্তু মোহাম্মদ হারিস ও শান মাসুদের ব্যাটে সব চাপ পেছনে ফেলে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় এশিয়ান জায়ান্টরা।

জয়ের খুব কাছে গিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন হারিস। তার আগে ১৮ বলে এক চার এবং দুই ছয়ের সাহায্যে ৩১ রান করেন তিনি। ২৪ রানে অপরাজিত থেকে দলের নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন মাসুদ। ৪ রানের বিনিময়ে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন আফ্রিদি।

এর আগে বাংলাদেশের হয়ে তিন ব্যাটসম্যান ছাড়া আর কেউ দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি। ৪৮ বলে ৭ চারের সাহায্যে সর্বোচ্চ ৫৪ রান করেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ২৪ রান আসে আফিফ হোসেন ধ্রুবর ব্যাট থেকে। ২০ বলে তিন বাউন্ডারি হাঁকান আফিফ। ১৭ বলের মোকাবেলায় একটি করে চার এবং ছয়ের মারে ২০ রান করেন সৌম্য সরকার।