আপনি পড়ছেন

বাবর ও রিজওয়ানের ব্যাটিংয়ে ভর করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে চলে গেল পাকিস্তান। রান খরায় থাকা বাবর আজমের ব্যাট শেষ পর্যন্ত সেমিফাইনালের মঞ্চেই হাসল। আর মোহাম্মদ রিজওয়ান এ মাচেও দেখিয়েছে তার সামর্থ্য। ফলে তাদের ব্যাটিংয়েই নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে পাকিস্তান পৌঁছে গেল ফাইনালের মঞ্চে। প্রথম সেমিফাইনালের লড়াইয়ে দাপুটে পারফরম্যান্সে শিরোপা জয়ের দাবিই জানিয়ে দিল বাবর আজমের দল।

babor rizoanবাবর আজম ও রিজওয়ানের ব্যাটিংয়ে ভর করে ফাইনালে পাকিস্তান

আজ বুধবার, ৯ নভেম্বর সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে সেমিফাইনালে কিউইদের ৭ উইকেটে হারিয়েছে পাকিস্তান। ড্যারেল মিচেলের অপরাজিত হাফসেঞ্চুরিতে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৫২ রান করে কিউইরা। সেই লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে উদ্বোধনী জুটিতেই জয়ের ভিত গড়ে দেন বাবর-রিজওয়ান। তাদের দুজনের হাফসেঞ্চুরিতে জয়ের লক্ষ্য সহজ হয়ে যায় পাকিস্তানের। শেষ পর্যন্ত ৫ বল আগে ৩ উইকেট হারিয়ে  জয় নিশ্চিত করে পাকিস্তান। মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডের শিরোপা নির্ধারণী মঞ্চে তাদের প্রতিপক্ষ হবে ভারত-ইংল্যান্ড দ্বিতীয় সেমিফাইনালে জয়ী দল।

আজ টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে তেমন সুবিধা করতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। পাকিস্তানের বোলাররা জ্বলে ওঠায় রান উঠেছে ধীরগতিতে। বাঁহাতি শাহীন শাহ আফ্রিদি শুরুতেই ফেরান ফিন অ্যালেনকে। ৪ রান করে এই ওপেনার বিদায় নেন। এরপর ডেভন কনওয়ে ও কেন উইলিয়ামসন প্রতিরোধ গড়লেও রানে গতি বাড়াতে পারেননি। রান আউট হয়ে কনওয়ে ২১ রানে বিদায় নিলে চাপে পড়ে কিউইরা। এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আগ্রাসী ব্যাটিং করা গ্লেন ফিলিপসও সুবিধা করতে পারেননি। মোহাম্মদ নওয়াজকে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে ৬ রানে বিদায় নেন তিনি। পরে উইলিয়ামসন ও মিচেল ইনিংসকে টেনে নেন। কিউই অধিনায়ক ৪২ বলে ১ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কায় ৪৬ রান করেন। তিনি হাফসেঞ্চুরি মিস করলেও মিচেল ভুল করেননি। ৫৩ রানে অপরাজিত থাকেন এই ব্যাটার। ৩ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কা ছিল তার এই ইনিংসে। জিমি নিশাম ১২ বলে ১৬ রান করে অপরাজিত থাকেন ।

চমৎকার বল করেন শাহীন। বাঁহাতি এ পেসার ৪ ওভারে মাত্র ২৪ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। নওয়াজ ২ ওভারে ১২ রান করে পেয়েছেন ১ উইকেট।

১৫৩ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না পাকিস্তানের জন্য।  বাবর-রিজওয়ান উদ্বোধনী জুটিতেই এনে দেন ১০৫ রান। হাফসেঞ্চুরি করে বাবর আউট হন। বাবর ৪২ বলে ৭ বাউন্ডারিতে করেন ৫৩ রান। আর ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতা রিজওয়ান ৪৩ বলে ৫ বাউন্ডারিতে খেলেন ৫৭ রানের ইনিংস। মোহাম্মদ হারিস এছাড়া ৩০ রান করেছেন । নিউজিল্যান্ডের সবচেয়ে সফল বোলার ট্রেন্ট বোল্ট। বাঁহাতি পেসার ৪ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট।