আপনি পড়ছেন

দেখতে দেখতেই শেষ মুহূর্তে চলে এসেছে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। গ্রুপ পর্ব এবং শেষ চারের লড়াইয়ের পর বাকি আছে কেবল শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ। যেখানে আজ পাকিস্তান এবং ইংল্যান্ড একে অন্যের মোকাবেলা করবে। ভিক্টোরিয়ার ঐতিহাসিক মেলবোর্ন ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ক্রিকেট দুনিয়ার অন্যতম দুই পরাশক্তির এই লড়াইটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায়।

babar and butlerকার হাসি টিকে থাকবে সেটা জানা যাবে আজ সন্ধ্যায়

এর আগে একবার করে প্রতিযোগিতার শিরোপা জেতার রেকর্ড আছে পাকিস্তান এবং ইংল্যান্ডের। ২০০৯ সালে ইংলিশ মুলুকে আয়োজিত ছোট ফুরম্যাটের টুর্নামেন্টের ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে পরাজিত করে সেরার মুকুট পরে এশিয়ান জায়ান্টরা। এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে রানার্সআপ হয় পাকিস্তান।

পাকিস্তানের পরের আসর অর্থ্যাৎ ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে আয়োজিত ২০১০ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা ঘরে তোলে ইংল্যান্ড। তাই বাবর আজমের দলের মতো জস বাটলার বাহিনীর সামনেও থাকছে দ্বিতীয়বারের মতো ক্রিকেটের সবশেষ সংস্করণে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ।

এটা ইংলিশদের জন্য প্রতিশোদের মিশন হতে পারে। কারণ ১৯৯২ সালের একদিনের বিশ্বকাপে তাদের পরাজিত করে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান। ফরম্যাটে ভিন্ন হলেও এবার পাকিস্তানকে হারিয়ে সে ক্ষতে প্রলেপ দিতে চাইবে ইংল্যান্ড।

তবে কাজটা মোটেও সহজ হবে না ইংল্যান্ডের জন্য। সম্প্রতি সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের দলপতি এবং অন্যতম সেরা ব্যাটার বাবর জানিয়েছেন, ফের ১৯৯২ সালের স্মৃতি ফিরিয়ে আনতে বদ্ধপরিকর তার দল। এজন্য নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দিতে মুখিয়ে আছে তারা। এজন্য অবশ্য পর্যাপ্ত রসদও আছে দলটির ভান্ডারে।

মোহাম্মদ রিজওয়ান, মোহাম্মদ ওয়াসিম, মোহাম্মদ নাওয়াজ, শাহিন শাহ আফ্রিদি, শাদাব খানদের মতো ক্রিকেটাররা জ্বলে উঠলে হতাশ হয়ে আরও একটি টুর্নামেন্ট শেষ করতে হবে ইংলিশদের। অন্যদিকে ইংলিশরাও পাকিস্তানের দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের স্বপ্নে পানি ঢেলে দিতে পারে। কারণ অধিনায়ক বাটলারের পাশাপাশি অ্যালেক্স হেলস, লিয়াম লিভিংস্টোন, মঈন আলি, বেন স্টোকস, স্যাম কারানরা দলের জন্য যেকোনো সাফল্য বয়ে আনার যোগ্যতা রাখেন।

সবকিছুকে পেছনে ফেলে ফাইনালের পুরো আলোটাই কেড়ে নিতে পারে বেরসিক বৃষ্টি। কারণ অস্ট্রেলিয়ার আবহাওয়াবিদরা আগেই জানিয়ে রেখেছেন, ফাইনালের দিন মেলবোর্নে বৃষ্টির সম্ভাবনা শতভাগ। যদিও ফাইনালের জন্য একটা রিজার্ভ ডে রাখা হয়েছে। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, রিজার্ভ ডেতেও আছে বৃষ্টির সম্ভাবনা।