আপনি পড়ছেন

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নিজের দুর্দান্ত ফর্ম টেনে আনতে পারেননি মোহাম্মদ রিজওয়ান। ফিরেছেন ইনিংসের শুরুতেই। ক্রিজে থিতু হয়েও দলের জন্য ভালো কিছু করতে ব্যর্থ হন বাবর আজম। চেনা রুপে ছিলেন কেবল শান মাসুদ ও শাদাব খান। এরপরও শিরোপা জেতার মিশনে স্কোরবোর্ডে ১৩৭ রানের বেশি তুলতে পারেনি পাকিস্তান।

pakistan england 1লড়াইয়ের পুঁজিও পেল না পাকিস্তান

এর আগে মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টস জিতে পাকিস্তানকে আগে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান ইংলিশ অধিনায়ক জস বাটলার। ব্যাট করতে নেমে দলীয় ২৯ রানেই ইনফর্ম রিজওয়ানকে হারায় পাকিস্তান। ব্যক্তিগত ১৫ রানে স্যাম কারানের বলে বোল্ড হন এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান। তার আগে ১৪ বলে একবার গড়িয়ে বল উড়িয়ে সীমানা ছাড়া করেন।

সে ধাক্কা সামাল দেওয়ার আগেই ফিরে যান মোহাম্মদ হারিস। লেগ স্পিনার আদিল রশিদের বলে বেন স্টোকসের হাতে ক্যাচ দেওয়ার আগে ৮ রান করেন এই তরুণ ক্রিকেটার। এজন্য ১২ বল খেলেন তিনি। এরপর শান মাসুদকে সাথে নিয়ে ইনিংস গড়ার দায়িত্ব নেন বাবর আজম। পাকিস্তান দলপতি রশিদের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হলে ভাঙে ৩৯ রানের জুটি।

প্যাভিলিয়নে হাঁটার আগে ২৮ বলে দুই চারের মারে ৩২ রান করেন বাবর। পরের ওভারে ইফতিকার আহমেদকে হারায় পাকিস্তান। কোনো রান করতে পারেননি এই মিডলঅর্ডার ব্যাটার। পঞ্চম উইকেটে শাদাব খানকে নিয়ে ৩৬ রান যোগ করেন মাসুদ। ব্যক্তিগত ৩৮ রানে কাটা পড়েন মাসুদ। ২৮ বলে দুই চারের পাশাপাশি এক ছয় হাঁকান তিনি।

অল্প সময়ের ব্যবধানে শাদাবকেও হারায় পাকিস্তান। ১৪ বলে ২০ রান করেন এই তারকা অলরাউন্ডার। এরপর নিচের সারির ব্যাটসম্যানরা আর তেমন কিছু করতে না পারায় লড়াইয়ের পুঁজি পাওয়া হয়নি পাকিস্তানের। সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের নাগালে আটকে রাখতে সবচেয়ে বড় অবদান রাখেন কারান। চার ওভার বল করে মাত্র ১২ রানের বিনিময়ে এই বাঁহতি পেসারের শিকার তিন উইকেট। ক্রিস জর্ডান ও রশিদের শিকার দুটি করে উইকেট।