আপনি পড়ছেন

জাতীয় লিগের শিরোপা জিততে শেষ রাউন্ডের ম্যাচে জিততেই হতো সিলেটকে। অন্যদিকে হার এড়ানোর সমীকরণ ছিল রংপুরের সামনে। দুই দলের অলিখিত ফাইনালে শেষ হাসি হেসেছে দেশের উত্তর পশ্চিমের দলটি। সিলেটকে ৫ উইকেটে পরাজিত করে দ্বিতীয়বারের মতো জাতীয় লিগের শিরোপা ঘরে তুলেছে রংপুর।

rangpur championরংপুরের খেলোয়াড়দের শিরোপা উদযাপন

এর আগে ২০১৪-১৫ মৌসুমে প্রথমবারের মতো জাতীয় লিগে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে রংপুর। এরপরের চার আসরের মধ্যে তিনবার রানার্সআপ হয় দলটি। অবশেষে জাকির হাসানের দল সিলেটকে হারিয়ে গেরো কাটাল আকবর আলি অ্যান্ড কোং।

অথচ আসরের শুরুটাই ভালো হয়নি রংপুরের। ব্যাটিং ব্যর্থতায় প্রথম রাউন্ডে ঢাকার কাছে ইনিংস এবং ৬২ রানের পরাজয় নিয়ে এবারের যাত্রা শুরু করে আকবর বাহিনী। সেই ম্যাচের দুই ইনিংসে রংপুর স্কোরবোর্ডে তোলে যথাক্রমে ৯২ ও ৫৬ রান। তাই দলটির কাছে এতো বড় সাফল্য আশা করেনি কেউ। তবে সবার ধারণাকে পাল্টে দিয়ে পরের পাঁচ ম্যাচে এক ড্রয়ের পাশাপাশি চার জয় তুলে নিয়েছে রংপুর।

দাপুটের সাথেই দ্বিতীয়বারের মতো জাতীয় লিগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে রংপুর। বগুড়ার শহিদ চান্দু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে সিলেটকে হারিয়েছে তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনেই। আগে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে ১০৭ রানে গুটিয়ে যায় সিলেট। জবাবে ১৮৮ রানে থামে রংপুর।

পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ১৬৮ রানের বেশি করতে পারেনি জাকির বাহিনী। তাই জয়ের জন্য রংপুরের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৮৮ রানের। ৫ উইকেট হারিয়েই সে লক্ষ্যে পৌঁছে গেছে গত আসরের রানার্সআপরা। রংপুরের শিরোপা জয়ে সবচেয়ে বড় অবদান আব্দুল্লাহ আল মামুনের। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩২৬ রান করার পাশাপাশি বল হাতে ১১ উইকেট নিয়েছেন এই তরুণ অলরাউন্ডার।

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর