আপনি পড়ছেন

ইকুয়েডর ও কাতারের মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে শুরু হয়ে গেছে বিশ্বকাপ ফুটবলের ২২ তম আসর। আল বায়াত স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে আয়োজকদের ২-০ ব্যবধানে পরাজিত করে শুরুটা রাঙিয়ে নিয়েছে ইকুয়েডর। ল্যাটিন আমেরিকার দেশটির জয়ের কারিগর অধিনায়ক ইনার ভ্যালেন্সিয়া। দুর্দান্ত পারফর্ম করে ম্যাচের পুরো আলোটাই কেড়ে নিয়েছেন তিনি।

enner valenciaম্যাচসেরা নির্বাচিত হন ভ্যালেন্সিয়া

ইকুয়েডরের হয়ে দুটি গোলই করেন ভ্যালেন্সিয়া। ম্যাচের প্রথমার্ধেই কাতারের জালে দুইবার বল জড়ায় ইকুয়েডর। ১৬ মিনিটে স্পট কিক থেকে দলকে এগিয়ে নেন ফেনেরবাচে স্পোর কুলবু তারকা। তার আগে তাকে নিজেদের ডি বক্সে ফেলে দেন স্বাগতিক গোলরক্ষক সাদ আল শিব। পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি।

১৫ মিনিট পর দর্শনীয় এক হেডে ফের ব্যবধান বাড়ান ভ্যালেন্সিয়া। পরবর্তীতে এই গোল দুইটা শোধ দিতে পারেনি কাতার। দুইবার নিশানা ভেদ করে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন ৩৩ বছর বয়সী আত্রমণভাগের এই ফুটবলার। এ নিয়ে দেশের জার্সিতে ৭৫ ম্যাচে মাঠে নেমে ৩৭ বার লক্ষ্যভেদ করলেন তিনি।

ইকুয়েডরের ইতিহাসে ভ্যালেন্সিয়ার থেকে বেশি গোল করতে পারেননি আর কেউ। শুধু তাই নয়, বিশ্ব আসরেও দেশের জার্সিতে সর্বোচ্চ (৫ গোল) গোলের মালিক তিনি। অথচ ভ্যালেন্সিয়ার ফুটবলে আসার পেছনের ঘটনা মোটেও মসৃণ ছিল না।

দরিদ্র পরিবারে জন্ম হওয়ায় এক সময় খাবার জুটাতে পারতেন না ভ্যালেন্সিয়া। পেটের দায়ে এই ফরওয়ার্ডকেও করতে হতো কঠোর পরিশ্রম। তবেই পরিবার নিয়ে দুই বেলা খেতে পারতেন। এতো প্রতিবন্ধকতা থাকার পরও ফুটবল ছেড়ে দেননি তিনি। নিয়মিত করে গেছেন অনুশীলন। তারই ফল হিসেবে আজ তার মতো একজন খেলোয়াড় পেয়েছে ইকুয়েডর।