আপনি পড়ছেন

সব দলই নিজেদের স্টাইলে গোল উদযাপন করে থাকে। বাকিদের থেকে ব্রাজিলের গোল উদযাপনের দৃশ্য কিছুটা অদ্ভুত রকমের। প্রতিপক্ষের জালে বল জড়িয়ে সাম্বা নেচে দর্শকদের আনন্দ দেয় নেইমার জুনিয়র বাহিনী। এবার চলমান কাতার বিশ্বকাপেও এর ব্যতিক্রম কিছু হচ্ছে না। নাচ নিয়ে রীতিমতো মহাপরিকল্পনা করে রেখেছে ব্রাজিল।

samba dance brazilনেইমারদের উদযাপন

নাচ নিয়ে ব্রাজিলের খেলোয়াড়দের আগ্রহের যেন শেষ নেই। কিছুদিন আগে স্প্যানিশ লা লিগায় গোল করার পর নিজস্ব ভঙ্গিতে নেচে তোপের মুখে পড়েন ভিনিচিয়াস জুনিয়র। এজন্য রিয়াল মাদ্রিদের উইঙ্গারকে বর্ণবাদী আচরণের শিকার হতে হয়। তবুও দমে যাননি। সতীর্থ রদ্রিগোকে নিয়ে পরবর্তীতেও একই রকমের উদযাপন করেন ভিনিচিয়াস। কাতারের মাটিতেও সে ধারা বজায় রাখতে চায় সেলেকাওরা।

কাতারের মাটিতে প্রথম দশ গোলের জন্য দশ রকমের নাচ দেখাবে ব্রাজিলের খেলোয়াড়রা। কোন গোলের পর কেমনভাবে উদযাপন করা হবে সেটা আগে থেকেই নির্ধারণ করেছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। নাচের সবগুলো স্টাইল সঠিকভাবে মাঠে প্রয়োগ করতে অনুশীলনও করেছে তিতের শিষ্যরা। সবকিছুর মূলে বিষয় একটাই, নিজেদের ঐতিহ্য ধরে রেখে সমর্থকদের বিনোদিত করতে চায় ল্যাটিন আমেরিকার পরাশক্তিরা।

ব্রাজিলের বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু হবে আগামীকাল। বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় লুসাই স্টেডিয়ামে ইয়োলো জার্সিদের প্রতিপক্ষ ইউরোপের দেশ সার্বিয়া। ‘জি’ গ্রুপ টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেভারিটদের বাকি দুই প্রতিপক্ষ ক্যামেরুন এবং সুইজারল্যান্ড।

সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে রফিনহা বলেন, ‘আপনাদের জানিয়ে রাখছি, বিশ্বকাপে আমরা ১০ গোল পর্যন্ত নিজেদের স্টাইলে নাচার প্রস্তুতি নিয়েছি। প্রতিটা ম্যাচের জন্য আমরা নাচের ১০টি মুদ্রা নির্ধারণ করেছি। প্রথম গোলের জন্য এক রকম, দ্বিতীয়টির জন্য অন্য রকম মুদ্র। এভাবে তৃতীয়, চতুর্থ ভিন্ন ভিন্ন মুদ্রায় নেচে উদযাপন করতে চাই। তবে কোনো ম্যাচে যদি আমরা ১০টির বেশি গোল করে ফেলি সেক্ষেত্রে নাচের নতুন ধরণ নিয়ে চিন্তা করবো।’