আপনি পড়ছেন

হুয়াওয়ের চেয়ারম্যান ডক্টর লিয়াং বলেছেন, ২০২৫ সালের মধ্যে ৮০টিরও বেশি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রায় ১২ কোটি মানুষকে কানেক্টিভিটি আওতায় নিয়ে আসা হবে। এ উদ্যোগ বাস্থবায়নে আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের পার্টনার কানেক্ট ডিজিটাল অ্যালায়েন্স জোট গঠন করা হয়েছে।

mobile internetপ্রত্যন্ত অঞ্চলের ১২ কোটি মানুষ কানেক্টিভিটির আওতায় আসবে

২৩ নভেম্বর, বুধবার ঢাকায় আয়োজিত ‘কানেক্ট দ্য আনকানেক্টেট: মেকিং রিমোট কানেকসনস, পলিসি, টেকনোলজিক ইনোভেশন এন্ড মাল্টিপার্টি কো-আপরেশন’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক প্যানেল আলোচনায় এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন হুয়াওয়ের চেয়ারম্যান।

ডক্টর লিয়াং বলেন, ডিজিটাল যুগে নেটওয়ার্ক মানুষের মৌলিক চাহিদায় পরিণত হয়েছে। যারা সংযোগবিহীন রয়েছেন, তাদের জীবন পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজন নির্ভরযোগ্য কানেক্টিভিটি। ক্লাউড এবং কৃত্রিমবুদ্ধিমত্তার মতো ডিজিটাল প্রযুক্তির সমন্বয়ে সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধিত হবে।

অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, শিক্ষা, শিল্প ও টেক্সটাইলসহ প্রতিটি খাতে কানেক্টিভিটির ভূমিকা অপরিসীম। আমরা কানেক্টিভিটি গুরুত্ব বুঝতে পেরেছি। কানেক্টিভিটিকে কাজে লাগিয়ে ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে।

প্রযুক্তির আওতার বাহিরে বিশ্ব জনসংখ্যার বাদ পড়া এক তৃতীয়াংশকে কানেক্টিভিটিতে অন্তর্ভুক্ত করতে বেসরকারি খাত, অ্যাকাডেমিয়া ও সিভিল সোসাইটিকে এক হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান চীনে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী সিদ্ধার্থ চ্যাটার্জি। তিনি বলেন, বর্তমান গতিশীল বিশ্বে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি করতে, লিঙ্গ বৈষম্য দূর করতে এবং সবুজ বিশ্বকে উৎসাহিত করতে প্রযুক্তির রূপান্তর প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে কম্বোডিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা, বেলজিয়াম এবং জার্মানির প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করেন।

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর