আপনি পড়ছেন

ম্যাচের বেশিরভাগ সময় আধিপত্য ধরে রাখল জার্মানি। সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের পাওয়ার ফুটবলের কাছে অনেকটা অসহায় ছিল জাপান। কিন্তু দিনটা ছিল এশিয়ার দলটির জন্যই। তাইতো জার্মানির রক্তচোখ উপেক্ষা করে দ্বিতীয়ার্ধের শেষদিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ২-১ গোলের দারুণ জয় তুলে নিয়েছে জাপান।

japan teamগোলের পর জাপানিজদের বাঁধভাঙা উল্লাস

খলিফা ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই জাপানকে চেপে ধরে জার্মানি। বল দখল, আক্রমণ, প্লেসিং, পাসিং সবদিক থেকেই নেতৃত্ব দেয় সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। হান্সি ফ্লিকের শিষ্যদের আক্রমণের তোপে রক্ষণে মনোযোগ দিতে বাধ্য হয় দলটি। প্রথম গোলের দেখা পেতে ম্যাচের ৩৩ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় জার্মানিকে।

নিজেদের ডি বক্সে জার্মানির লেফট ব্যাক ডেভিড রাউমকে ফাউল করেন জাপানের গোলরক্ষক সুইচি গন্ধা। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। স্পট কিক নিতে আসেন ম্যানচেস্টার সিটির তারকা ফুটবলার ইলকাই গান্ডোগান। কোনো ভুল করেননি এই মিডফিল্ডার।

প্রথমার্ধে গোল ব্যবধান আরও বাড়াতে পারতো জার্মানি। কিন্তু নিজেদের ভুল এবং জাপানের গোলরক্ষক গন্ধার দৃঢ়তায় হতাশ হতে হয় জায়ান্টদের। ১৭ মিনিটে প্রথম গোলের সুযোগ পায় জার্মানি। কর্ণার থেকে ডিফেন্ডার অ্যান্থনিও রুডিগারের করা হেড পোস্টের পাশ কাটিয়ে বাইরে দিয়ে চলে যায়।

তিন মিনিট পর জশুয়া কিমিচের শট ধরে ফেলেন গন্ধা। প্রথম গোলের আগে তিনবার ব্যর্থ হন গান্ডোগান। পেনাল্টি শ্যুটে এগিয়ে যাওয়ার পর প্রতিপক্ষকে আরও চেপে ধরে জার্মানি। কিন্তু গান্ডোগান, জামাল মুসিয়ালাদের প্রচেষ্টা সফল না হওয়ায় এক গোলের লিড নিয়েই বিরতিতে যায় দলটি।

বিরতি থেকে ফিরেও স্বরূপে ছিল জার্মানি। তবে ধীরে ধীরে খোলস ছেড়ে বের হয়ে আসে জাপান। ৭৫ মিনিটে ম্যাচে ফেরে তারা। স্কোরশিটে নাম তোলেন রিটসু ডোন। আট মিনিট পর তাকুমা আসানোর কল্যাণে জার্মানিকে স্তব্ধ করে দিয়ে এগিয়ে যায় জাপান। বাকি সময়ে আর ম্যাচে ফেরা হয়নি জার্মানির।