আপনি পড়ছেন

ফিফা বিশ্বকাপ আসরটি এবার মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে বসেছে। কিন্তু বিস্ময়করভাবে কাতারের মাঠে বড় দলগুলো নামের প্রতি সুবিচার করতে পারছে না। জার্মানি ও আর্জেন্টিনা টুর্নামেন্ট শুরু করেছে অঘটনের শিকার হয়ে। হোঁচট খেয়েছে ডেনমার্ক। ফেভারিট বেলজিয়ামকে অবশ্য পয়েন্ট হারাতে হয়নি। এ জন্য ধন্যবাদ প্রাপ্য গোলরক্ষক থিবাউট কোর্তোয়া।

belgium qatar world cupস্বস্তির জয়ে শুরু বেলজিয়ামের

বুধবার রাতে কানাডাকে হারাতে মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হয়েছে বেলজিয়ামের। কাঠখড় পুড়িয়ে বেলজিয়ানরা জিতেছে ন্যূনতম ব্যবধানে; ১-০ গোলে। ম্যাচের যা চিত্র ছিল তাতে এ ম্যাচের ফল ড্র হওয়ার কথা ছিল। ভাগ্য ভালো বলেই বেলজিয়াম জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে। বিশ্বকাপে ‘এফ’ গ্রুপে এ দুই দলের এটি ছিল প্রথম ম্যাচ। ম্যাচটায় অন্তত পয়েন্ট পেতে পারতো কানাডা। সেটা হয়নি দুর্ভাগ্যক্রমে; পেনাল্টি মিসের কারণে।

ম্যাচের শুরু থেকেই কানাডা চেপে ধরে বেলজিয়ামকে। খেলা দেখে মনে হয়নি কানাডা ফিফার র‌্যাঙ্কিং তালিকায় ৪১তম দল দুই নম্বরে থাকা দলের রক্ষণ দেয়াল ভাঙার চেষ্টা করছে। গোলটা পেতে পারতো তারা। কিন্তু ম্যাচের ১০ মিনিটে পেনাল্টি মিস করেন দলটির সবচেয়ে বড় তারকা আলফোনসো ডেভিস। তার শট ঠেকিয়ে দেন বেলজিয়াম গোলরক্ষক থিবাউট কোর্তোয়া।

পুরো ম্যাচের অধিকাংশ সময় কানাডা সমান তালে খেলেছে। বেলজিয়ামের ভাগ্য ভালো যে, প্রথমার্ধে গোল হজম করতে হয়নি। সে কারণেই বেলজিয়াম এক তরফা ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করছে এটা বলার কোনো সুযোগ নেই। ম্যাচের প্রধমার্ধে কয়েকবারই কানাডা গোলের সুযোগ তৈরি করেছিল। বেলজিয়ামের গোলরক্ষক কোর্তোয়া একাধিক বার দলকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন। কানাডিয়ানদের ঠেকাতে বারবার ব্যর্থ হচ্ছিল বেলজিয়ামের রক্ষণভাগ। অথচ উল্টো ঘটনা ঘটে গেল ৪৪ মিনিটে।

হাফ চান্স কাজে লাগিয়ে লিড নিয়ে নেয় বেলজিয়াম। মধ্য মাঠ থেকে বল লম্বা শটে বাতাসে ভাসিয়ে দিল বেলজিয়ামের ডিফেন্স। কানাডার বড় ডি-বক্সের অনেকটা বাইরে থাকা বেলজিয়ামের মিকি বাতশুয়াই দুই কানাডিয়ান ডিফেন্সের মাঝে থেকে দৌড়ের মধ্যেই চলন্ত বলে কিক নিলেন; বল গোলরক্ষকের হাত ফস্কে সোজা জালে।

একমাত্র গোলে লিড নিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান বাড়ানোর মতো বড় কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি বেলজিয়াম। উল্টো ম্যাচের ৮১ মিনিটে নিশ্চিত গোল আটকে দিলেন সেই কোর্তোয়া। ম্যাচের ৯০ মিনিট পেরিয়ে গেলেও বেলজিয়াম আর গোলের দেখা পায়নি। অতিরিক্ত সময়ে গোলের সুযোগ হাতছাড়া করেছে ইউরোপের কালো ঘোড়ারা।