আপনি পড়ছেন

গোলপোস্টের নিচে এক গোলরক্ষকই এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু গতকালের জাপান-জার্মানি ম্যাচের শেষদিকে এসে দেখা গেল, এক গোল পোস্টের নিচে দুই গোলরক্ষককে। জার্মানির গোলরক্ষক ম্যানুয়েল ন্যুয়ের চলে আসেন জাপানি প্রতিপক্ষ সুইচি গোল্ডার কাছে। শুভেচ্ছা বিনিময় নয়, তিনি এসেছিলেন গোল পরিশোধ করতে। কিন্তু সফল হননি। পরাজয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।

2 goalkeeper in a goalpostদুই দলের গোলরক্ষক এক গোলপোস্টে

কাতার বিশ্বকাপের গতকালের খেলাটি অনেকাংশেই ছিল আগের দিনের সৌদি আরব-আর্জেন্টিনা ম্যাচের ফটোকপি। সে ম্যাচে ম্যাচের প্রথমার্ধে পেনাল্টি থেকে গোল করে স্কোর শুরু করেছিল আর্জেন্টিনা। প্রথমার্ধে আর কোনো গোল হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধে এসে পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করে এগিয়ে যায় সৌদিরা। পরে সে ব্যবধানেই ম্যাচ শেষ হয়।

জাপান-জার্মান ম্যাচেও তা-ই ঘটেছে। প্রথমে পেনাল্টি থেকে গোল করে এগিয়ে যায় তুলনামূলক শক্তিশালী দল জার্মানি। এই স্কোর টিকিয়ে রেখেই প্রর্থমার্ধ শেষ হয়। দ্বিতীয়ার্ধে সে গোল পরিশোধ করে আট মিনিটের মাথায় আরেকটি গোল করে দলকে এগিয়ে নেন জাপানের ফুটবলাররা। পরে ওই ব্যবধানেই শেষ হয় ম্যাচ। অপেক্ষাকৃত দুর্বল দল জাপান জামার্নিকে হারিয়ে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয় তুলে নেয়।

neuer in matchন্যুয়ারের জালে দুবার বল পাঠায় জাপানের ফুটবলাররা

এ ম্যাচের শেষ মুহূর্তে দেখা যায় অবাক করা এক দৃশ্য। এক গোলবারের নিচে দুই গোলরক্ষক। পরস্পরবিরোধী ভূমিকায়। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের পর ৯ মিনিটের সংযুক্ত সময়ের খেলা চলছিল। ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল জাপান।

জার্মানি মরিয়া, অন্তত একটি গোল যদি পরিশোধ করা যায়! বল জাপানের অর্ধে দেখে শেষ বাঁশি বাজার মিনিট দুয়েক আগে উপরের দিকে উঠে আসেন জার্মান গোলরক্ষক তথা অধিনায়ক ন্যুয়ের।

দলের মান রক্ষার চেষ্টায় জার্মান অধিনায়ক পৌঁছে যান জাপানের গোলপোস্টের সামনে। ভূমিকার বিপরীত গোল দিতে।

এক দম শেষ মিনিটে একটি কর্নার পায় জার্মানি। বল উড়ে আসে জাপানের বক্সে। সেটাতে মাথা ছোঁয়ানোর জন্য মরিয়া হয়ে লাফ দেন ন্যুয়ের। কিন্তু সফল হলেন না। বলটি চলে যায় উঁচু দিয়ে। নাগাল পাননি জাপানের গোলরক্ষক গোন্ডাও। বর ওই সময়েই বেজে ওঠে রেফারির খেলা সমাপ্তির বাঁশি।

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর