আপনি পড়ছেন

কাতার বিশ্বকাপে সবশেষ অঘটনের শিকার হলো বেলজিয়াম। রোববার ইউরোপিয়ান দেশটিকে ২-০ গোলে হারিয়ে চমকে দিয়েছে মরক্কো। বিশ্বমঞ্চে ২৪ বছরের মধ্যে এটাই প্রথম জয় আফ্রিকান জায়ান্টদের। ঐতিহাসিক জয়ে খুব স্বাভাবিকভাবেই মরক্কোজুড়ে জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে উদযাপন করছেন।

belgium riotব্রাসেলসে দাঙ্গাবাজদের থামাতে রাপজথে পুলিশ

ঠিক বিপরীত চিত্র বেলজিয়ামে। হারের ক্ষোভ ও হতাশায় দেশটির রাজধানী ব্রাসেলসের রাজপথে নেমে এসেছেন সমর্থকরা। সেখানে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছেন তারা। বিক্ষুব্ধ জনতা ও দাঙ্গাবাজদের থামাতে রাপজথে নেমেছে ব্রাসেলস পুলিশ। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।

সবচেয়ে বেশি দাঙ্গা হয়েছে রাজধানী ব্রাসেলসের কেন্দ্রীয় এলাকা সিটি সেন্টারে। বেপরোয়া সমর্থকদের ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান ব্যবহার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া পরিস্থিতি শান্ত করতে কাঁদানে গ্যাসের শেলও ছুড়েছেন তারা। ব্রাসেলসের অনেক এলাকায় যাতায়ত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, মরক্কোর বিপক্ষে বেলজিয়ামের হারের পর ক্ষুব্ধ জনতা ব্রাসেলসে বেশ কয়েকটি গাড়ি জ্বালিয়ে দিয়েছে। ইট-পাথর ছুড়ে গাড়ি ভাঙচুর করেন তারা। খবরটি নিশ্চিত করেছেন পুলিশের মুখপাত্র ইলসে ভ্যান ডি কিরি।

আল-জাজিরার প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, হ্যাজার্ড-কোর্তায়াদের হারের পর শতশত মানুষ লাঠি নিয়ে রাস্তায় নেমে আসেন। ভাঙচুর ও দাঙ্গার সময় এক সাংবাদিক আহত হয়েছেন। সিটি সেন্টার থেকে লোকজনকে দূরে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন ব্রাসেলসের মেয়র ফিলিপ ক্লোজ।

ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে মেয়র বলেছেন, ‘সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে কাজ করছে কর্তৃপক্ষ। আজ (রোববার) দুপুরের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। আমি সমর্থকদের শহরের কেন্দ্রে আসতে বারণ করেছি। ইতোমধ্যে পুলিশ কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে। সড়কে শৃঙ্খলা আনতে চেষ্টা করছে তারা। দাঙ্গাবাজদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

ব্রাসেলস পুলিশের দাবি, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ ঘটনার পর মেট্রো স্টেশন ও বিভিন্ন সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিক্ষুব্ধ এলাকাগুলো এবং সিটি সেন্টারে মোতায়ন করা হয়েছে বাড়তি পুলিশ। তবে এ ঘটনায় হতাহত এবং গ্রেপ্তারকৃতদের সংখ্যা জানায়নি তারা।