আপনি পড়ছেন

মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে টিকার চতুর্থ ডোজ দেওয়ার সুপারিশ করেছে সরকারের কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি উপদেষ্টা কমিটি। চিকিৎসক-নার্সসহ সম্মুখ সারির যোদ্ধা, ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তি ও গর্ভবতী নারীদের এ ডোজ আগে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

corona vaccine 1করোনা টিকার চতুর্থ ডোজ শুরু করতে যাচ্ছে সরকার

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের টিকা ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সচিব শামসুল হক আজ বুধবার (৩০ নভেম্বর) এ কথা জানিয়েছেন।

শামসুল হক জানান, চতুর্থ ডোজের জন্য আমাদের হাতে পর্যাপ্ত টিকা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে সম্মুখ সারির যোদ্ধা, ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তি ও গর্ভবতীদের চতুর্থ ডোজ দেওয়া যেতে পারে।

তিনি আরও জানান, সরকার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে শিগগিরই কার্যক্রম শুরু করবে।

শামসুল হক বলেন, সারা দেশে আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত টিকার বিশেষ ক্যাম্পেইন শুরু হচ্ছে। বিশেষ ক্যাম্পেইনে আমরা দ্বিতীয় ও বুস্টার ডোজ দিতে যাচ্ছি। এ ক্যাম্পেইনে টিকাদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৯০ লাখ ডোজ। সারাদেশে ক্যাম্পেইনে ১৭ হাজার ১১৬টি টিম কাজ করবে। 

দেশে ২০২১ সালে সরকারিভাবে গণহারে করোনা টিকা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, সরকারের মোট জনসংখ্যার ৭০ শতাংশ মানুষকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা ছিল। তবে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি মানুষকে টিকার প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে।

দেশে এ পর্যন্ত শিশুসহ মোট জনসংখ্যার ৮৭ শতাংশ প্রথম ডোজ করোনা টিকা পেয়েছেন। দুই ডোজ টিকা নিয়েছেন ৭৩ শতাংশ মানুষ। এছাড়া বুস্টার বা তৃতীয় ডোজ নিয়েছেন ৫২ ভাগ মানুষ।

বিশ্বের অধিকাংশ দেশই এখনও টিকার চতুর্থ ডোজ শুরু করেনি। অবশ্য গত বছরের শেষে দিকে প্রথম দেশ হিসেবে করোনার চতুর্থ ডোজের অনুমোদন দিয়েছে ইসরায়েল।