আপনি পড়ছেন

আরও কমেছে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। ৩০ নভেম্বর, বুধবার দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৩.৮৬ বিলিয়ন ডলারে। গত কয়েক বছরের মধ্যে এটিই সর্বনিম্ন রিজার্ভ। তবে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের পরিমাণ আরও কম। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

reserveআরও কমেছে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ

২০২১ সালে দেশে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৪৮ বিলিয়ন ডলার, যা অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি। এরপর থেকে রিজার্ভের পরিমাণ কমতে শুরু করে। গত ১৫ মাসে রিজার্ভ কমেছে ১৪ বিলিয়ন ডলার।

বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হওয়ার ব্যাংকগুলো বাধ্য হয়ে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করছে। এতে প্রতিনিয়ত কমছে রিজার্ভ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, আজও কয়েকটি ব্যাংকের কাছে ৭ কোটি ১০ লাখ ডলার বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাস (১ জুলাই থেকে  নভেম্বর পর্যন্ত) রিজার্ভ থেকে ৬০৫ কোটি ডলার বিক্রি করা হয়েছে। এছাড়া গত অর্থবছরে রিজার্ভ থেকে ৭৬২ কোটি ১৭ লাখ ডলার বিক্রি করা হয়। বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অর্থবছরে এত পরিমাণ ডলার কখনোই বিক্রি করা হয়নি।

ডলার সংকটের কারণে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে অস্থিরতা চলছে বেশ কয়েক মাস ধরেই। বেড়েই চলেছে মার্কিন ডলারের দাম। ফলে ক্রমশ কমছে টাকার মান। গতকাল আন্তব্যাংকে ডলারের দাম ছিল ১০৪ টাকা। আর খোলাবাজারে ডলার বিক্রি হয় ১০৮ থেকে ১১০ টাকায়।

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর