আপনি পড়ছেন

ছয়টি ইউরোপীয় দেশে ইউক্রেনীয় দূতাবাস ও কনস্যুলেটে পাওয়া গেছে রক্তাক্ত কিছু পার্সেল। খোলার পর সেগুলোতে পাওয়া গেছে পশুদের চোখ। শুক্রবার ইউক্রেনের এক কর্মকর্তা এ কথা জানান। বিষয়টি নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় পড়েছে ইউক্রেন প্রশাসন। খবর দ্য গার্ডিয়ান।

honey bee hivesরহস্যময় পার্সেল

ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওলেহ নিকোলেনকো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে জানান, রক্তাক্ত পার্সেলগুলো প্রথম পাওয়া যায় স্পেনের মাদ্রিদের ইউক্রেন দূতাবাসে। তারপর একে একে হাঙ্গেরি, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া ও ইতালির ইউক্রেনের দূতাবাস ও কনস্যুলেটে রহস্যময় এসব পার্সেল পাওয়া যায়। সব ক’টি বাক্সেই পশুর চোখ পাওয়া গেছে।

তিনি আরও বলেন, বাক্সগুলোকে কোনো বিশেষ তরলে চুবিয়ে রাখার পর সেগুলো উঠিয়ে রঙ করা হয়েছে। এ কারণে ওইসব প্যাকেট থেকে অদ্ভুত রকমের এক গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।

embessy securityরহস্যময় পার্সেলের পর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়

এখন এই ঘটনার বার্তা উদ্ধার করার চেষ্টা চলছে উল্লেখ করে নিকোলেনকো বলেন, এর আগে যে দেশগুলো এমন ধরনের হুমকি সংবলিত চিঠি পেয়েছে, তাদের সবারই কিছু না কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

নিকোলেনকো জানান, সাম্প্রতিক সময়ে তারা এ ধরনের অবাক করা পার্সেল পাচ্ছেন। পশুর চোখ পাওয়ার আগে মাদ্রিদে ইউক্রেনীয় দূতাবাসে পাঠানো একটি পার্সেলের কারণে সেখানে বিস্ফোরণ ঘটেছিল। গত বুধবার বিস্ফোরক ডিভাইস সংবলিত ওই পার্সেলটি খোলার সময় তা বিস্ফোরিত হয় এবং একজন গুরুতর আহত হয়। এছাড়া ভ্যাটিকানে ইউক্রেনীয় রাষ্ট্রদূতের বাসভবনের প্রবেশদ্বার ভাংচুর করা হয়। কাজাখস্তানের ইউক্রেনীয় দূতাবাসকে মাইন হামলার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল, তবে সে ধরনের কোনো হামলার খবর পাওয়া যায়নি।

এদিকে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে ইউক্রেনের সমস্ত দূতাবাস ও কনস্যুলেটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্রো কুলেবা বলেন, আমাদের বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ আছে, ইউক্রেনের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলোতে ভয় দেখানোর একটি সুপরিকল্পিত আয়োজন চলছে।

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর