আপনি পড়ছেন

কাতার বিশ্বকাপে দারুণ একটা শুরু করেছিলেন নেইমার জুনিয়র। কিন্তু সার্বিয়ান ফুটবলারদের একের পর এক ট্যাকলের মুখে ম্যাচটা শেষ করে আসতে পারেননি তিনি। সেদিন তো একটা রেকর্ডও হয়ে গেছে। বিশ্বকাপে নির্দিষ্ট কোনো ফুটবলার হিসেবে এক ম্যাচ সর্বোচ্চ ৯টি ফাউলের শিকার হয়েছিলেন নেইমার।

neymar 3

প্রতিপক্ষের শরীরী ফুটবলের শিকার হয়ে থাকতেন ডিয়েগো ম্যারাডোনা। আর্জেন্টাইন কিংবদন্তির পর নেইমারই হয়ে গেলেন প্রতিপক্ষের লক্ষ্যবস্তু। যার খেসারত দিতে হয়েছে ব্রাজিলকে। চোট নিয়ে গ্রুপপর্বের শেষ দুই ম্যাচের জন্য মাঠ থেকে ছিটকে যান নেইমার। চোট কাটিয়ে পিএসজির সুপারস্টার বিশ্বকাপে ফিরেও এসেছেন।

শেষ ষোলোতে ফেরার ম্যাচে দারুণ পারফর্ম করেছেন নেইমার। সোমবার রাতে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ভিনিচিয়াস জুনিয়র ম্যাচের সাত মিনিটে ঠাণ্ডা মাথায় যে গোলটার করলেন সেটির উৎস ছিলেন নেইমার। এর ছয় মিনিট পর পিএসজি স্ট্রাইকার নিজেই খুঁজে নেন জালের ঠিকানা। রিচার্লিসন ডি-বক্সে ফাউল হলে পেনাল্টি পায় ব্রাজিল।

স্পট কিক থেকে গোল করতে বেগ পেতে হয়নি ৩০ বছর বয়সী অভিজ্ঞ এই স্ট্রাইকারকে। তাতেই দারুণ একটা অর্জন হয়ে গেল নেইমারের। ব্রাজিলের তৃতীয় ফুটবলার হিসেবে তিনটি আলাদা বিশ্বকাপে গোলের কীর্তি হয়ে গেল তার। নেইমারের আগে যে কীর্তি ছিল পেলে ও রোনালদো নাজারিওর।

১৯৯৮, ২০০২ এবং ২০০৬ বিশ্বকাপে গোল করেছিলেন রোনালদো। নেইমার জালের ঠিকানা খুঁজে নিলেন ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২২ বিশ্বকাপে। ব্রাজিল ফুটবলের মহাতারকা পেলে অবশ্য টানা চারটি বিশ্বকাপে গোল করেছিলেন। ১৯৫৮ থেকে ১৯৭০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত প্রতিটি আসরেই গোলের দেখা পেয়েছিলেন পেলে।

সর্বোচ্চ পাঁচটি বিশ্বকাপে গোল করার রেকর্ড অবশ্য পর্তুগাল কিংবদন্তি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দখলে। ২০০৬ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত প্রতিটি আসরেই গোল করেছেন ‘সিআর সেভেন’। বিশ্বকাপে পর্তুগালের প্রথম ম্যাচে ঘানার বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে গোলটি করেছিলেন তিনি।

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর