আপনি পড়ছেন

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপি-পুলিশ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় একজন নিহত হয়েছেন। নিহতের নাম মকবুল আহমেদ।

bnp polishনয়াপল্টনে বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষে নিহত ১

৭ ডিসেম্বর, বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ২০ জনকে ঢামেক হাসপাতালে (ঢামেক) নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে মকবুল আহমেদ মারা যান।

ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া বলেন, মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সকাল থেকে নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে শুরু করেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। দুপুরের দিকে বেশ ভিড় দেখা যায়। এ সময় পুলিশ তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। এতে শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া।

একপর্যায়ে পুলিশ টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট ছোড়ে। বিএনপির নেতাকর্মীরাও লাঠিসোঁটা নিয়ে পুলিশকে ধাওয়া করে।

এ সময় অনেকে আহত হন। আহতরা হলেন- বোরহান উদ্দিন কলেজ ছাত্রদলের কর্মী আনোয়ার ইকবাল, পল্টন থানা যুবদলের কর্মী মো. খোকন, মো. মনির হোসেন, মো. রাশেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি জসীমউদ্দীন হলের ছাত্রদল নেতা মো. ইয়াসির আরাফাত, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের নেতা মো. সুমন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতা মো. জহির হাসান, রূপনগর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মো. শামীম, কদমতলী থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মো. হানিফ, মো. হৃদয়, মো. মকবুল হোসেন।

এছাড়া বিএনপির দাবি, তাদের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।

মতিঝিল জোনের ডিসি হায়াতুল ইসলাম খান বলেন, ‘পল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীরা ভিড় করলে রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। আমরা তাদের সরে যেতে অনুরোধ করি। কিন্তু তারা আমাদের কথা শোনেনি। একপর্যায়ে তাদের সরিয়ে দিতে গেলে তারা পুলিশের ওপর হামলা করে।’

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, সরকারের নির্দেশে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশের গুলি চালানো সম্পূর্ণ পরিকল্পিত।

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর