আপনি পড়ছেন

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে শতাধিক নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে বিএনপি নেতা রিজভী, এ্যানি, আমান, শিমুল বিশ্বাস, খায়রুল কবির খোকন রয়েছেন। তাদের আটক করে প্রিজন ভ্যানে নিয়ে যায় পুলিশ। এর আগে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে একজনের মৃত্যু ঘটেছে।

bnp atokবিএনপি নেতা আমানউল্লাহ আমানকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ

আজ সকাল থেকেই নয়াপল্টনে কার্যালয়ের সামনে বিএনপির নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকেন। একপর্যায়ে জমায়েত বড় হয়ে রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় পুলিশ তাদের সরিয়ে দিতে গেলে দুই পক্ষের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। বেলা তিনটার দিকে এ সংঘর্ষের একপর্যায়ে পুলিশ শটগানের গুলি ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হন।

সংঘর্ষের জের ধরে বিকেল সোয়া চারটার দিকে পুলিশ বিএনপির কার্যালয়ের সামনে থেকে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, বিএনপির চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস ও প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরীকে আটক করে।

এরপর সন্ধ্যায় পুলিশ কার্যায়ের ভেতর থেকে বিএনপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালাম, উত্তরের আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান ও যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকনকে আটক করে।  সন্ধ্যা ছয়টার দিকে তাদের আটক করে প্রিজন ভ্যানে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ ব্যাপারে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বিএনপির কার্যালয় থেকে দুই শতাধিক নেতাকর্মীকে আটক করে নিয়ে গেছে পুলিশ।

এদিকে সংঘর্ষ শুরুর পর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আহত ২২ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে মকবুল আহমেদ নামে একজন মারা গেছেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের মতিঝিল জোনের ডিসি হায়াতুল ইসলাম খান বলেন, সমাবেশের স্থান নিয়ে যখন আলোচনা চলছে, তখন এমন সংঘর্ষ শুরু হলো।

তিনি বলেন, আজ পল্টনে বিএনপি নেতাকর্মীরা পুরো রাস্তা বন্ধ করে ভিড় করতে থাকেন। পুলিশ তাদের সরে যেতে বললে তারা পুলিশের ওপর হামলা চালায়।

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর