আপনি পড়ছেন

ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর হাতে ২০১৫ সাল থেকে নিহত প্রায় ১১৭ জন ফিলিস্তিনির আটকে রাখা মৃতদেহ হস্তান্তরের দাবিতে পশ্চিম তীরের কেন্দ্রস্থল রামাল্লায় হাজার হাজার ফিলিস্তিনি বিক্ষোভ করেছেন। ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা খবরটি প্রকাশ করেছে।

bereaved familyইসরায়েলের হাতে নিহত ১১৭ মরদেহ হস্তান্তরের দাবিতে বিক্ষোভ শোকাহত পরিবারগুলোর

নিহত ফিলিস্তিনিদের পরিবারের সদস্যরা তাদের প্রিয়জনকে সম্মানজনকভাবে কবর দেওয়ার অধিকারের দাবিতে শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) এই বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিলেন।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ফিলিস্তিনিরা তাদের সন্তানদের লাশ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে স্লোগান দেন। নিহত এসব ফিলিস্তিনিদের মরদেহ দীর্ঘদিন ধরেই ইসরায়েলের মর্গে ফেলে রাখা হয়েছে। ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে নিহত ফিলিস্তিনিদের মৃতদেহ আটকে রাখার অভ্যাস রয়েছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের।

ইসরায়েলের দাবি, নিহত ফিলিস্তিনিদের দাফনের সময় ইসরায়েলবিরোধী মনোভাব উস্কে দেওয়া হবে। এজন্য স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর না করার নীতি গ্রহণ করেছে তারা। আন্তর্জাতিক আইন এ ধরনের অনুশীলনকে মানবাধিকার লঙ্ঘন বলে মনে করে। জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী, সশস্ত্র সংঘাতের পক্ষগুলোকে অবশ্যই মৃত ব্যক্তিকে সম্মানজনক উপায়ে দাফন করার অধিকার দিতে হবে।  

মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলোর মতে, ২০১৫ সাল থেকে ১২টি শিশুসহ কমপক্ষে ১১৭ ফিলিস্তিনির মরদেহ আটকে রেখেছে দখলদার ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ।

২০১৭ সালে ইসরায়েলি সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বলা হয়, রাষ্ট্রের মৃতদেহ আটকে রাখার কোনো আইনি ভিত্তি নেই। কিন্তু ২০১৯ সালে আগের রায়ের বিপক্ষে রায় দেওয়া হয়। দখলদার সেনাদের দ্বারা নিহত ফিলিস্তিনিদের মৃতদেহ আটকে রাখার সরকারী নীতির প্রতি সমর্থন দেয় সুপ্রিম কোর্ট।   

Get the latest world news from our trusted sources. Our coverage spans across continents and covers politics, business, science, technology, health, and entertainment. Stay informed with breaking news, insightful analysis, and in-depth reporting on the issues that shape our world.

360-degree view of the world's latest news with our comprehensive coverage. From local stories to global events, we bring you the news you need to stay informed and engaged in today's fast-paced world.

Never miss a beat with our up-to-the-minute coverage of the world's latest news. Our team of expert journalists and analysts provides in-depth reporting and insightful commentary on the issues that matter most.