আপনি পড়ছেন

দীর্ঘদিন ধরে ম্যানচেস্টার সিটির একাদশের নিয়মিত সদস্য কেভিন ডি ব্রুইন। মাঠে নিজের প্রয়োজন কতটা হতে পারে ইতোমধ্যে সেই প্রমাণ দিয়েছেন বেলজিয়ান তারকা। আকাশি নীল জার্সিতে মাঝমাঠের এই অতন্দ্র প্রহরীর সফলতার পাল্লাটা বেশ ভারী। এত কিছুর পরও ডি ব্রুইনকে সব সমস্যার সমাধান মনে করছেন না ম্যানসিটির প্রধান কোচ পেপ গার্দিওলা।

de bruyne and guardiolaডি ব্রুইন ও গার্দিওলা

ভিএলএফ উলফসবার্গ ছেড়ে ২০১৫ সালে ম্যানসিটিতে নাম লেখান ডি ব্রুইন। এরপর গত আট বছরে চারবার জিতেছেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা। প্রতিবারই সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। অসাধারণ পারফরম্যান্সের কারণে দুইবার প্লেয়ার অব দ্য ইয়ারের পুরস্কার জিতেছেন ৩১ বছর বয়সী ফুটবলার। তাই এতদিন তাকে কেন্দ্র করেই একাদশ সাজাতেন গার্দিওলা। অবশ্য চলমান মৌসুম থেকে পুরোনো চিন্তায় দল পরিচালনা করছেন না এই স্প্যানিশ কোচ।

গত গ্রীষ্মকালীন দলবদলে বুরুশিয়া ডর্টুমন্ড থেকে আর্লিং হাল্যান্ডকে স্কোয়াডে টেনেছে ম্যানসিটি। সেই সাথে পরিকল্পনাতেও এসেছে পরিবর্তন। তাই দলের প্রয়োজনে বদলি হিসেবে ডি ব্রুইনকে মাঠে নামানোর ছক কষছেন গার্দিওলা। তাই বলে এই মিডফিল্ডারকে বাদ দিতে চান না সাবেক তারকা ফুটবলার।

guardiolaগার্দিওলা

গত ২০ জানুয়ারি ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে টটেনহাম হটস্পারকে ৪-২ গোলে হারানোর দিনে শুরুর একাদশে ছিলেন না ডি ব্রুইন। সেটার ব্যাখ্যা দিয়েছেন ম্যানসিটি বস গার্দিওলা।

তিনি বলেন, ‘সাত বছর ধরে আমরা একে অপরকে খুব ভালোভাবে চিনি। আমি বেশ ভালোভাবেই জানি ডি ব্রইন কখন খেলার জন্য প্রস্তুত এবং কখন অপ্রস্তুত। এমনটা হওয়াই স্বাভাবিক। আমাদের অনেক খেলা আছে। বদলি হিসেবে কখনও কখনও আমাদের অন্য ধরনের খেলোয়াড়ের প্রয়োজন হয়।’

গার্দিওলা আরও বলেন, ‘আপনি সর্বদা আশা করেন যে ব্রুইন সতীর্থদের গোলে সহায়তা করবে। তবে সে কতগুলো সহায়তা করবেন তা বলা যায় না। সত্যিই কি আপনি এই হিসেব রাখবেন না? দলে এখন অনেক প্রতিযোগিতা। কিছু খেলার জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক খেলোয়াড়ের প্রয়োজন হয়। সেই তালিকায় ডি ব্রুইনও আছে।’

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর