আপনি পড়ছেন

বাংলাদেশে চূড়ান্তভাবে নিষিদ্ধ হলো সাকার মাছ। গত ১১ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মাছটি নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মৃণাল কান্তি দে। প্রজ্ঞাপনটি ১৫ জানুয়ারি গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে।

sakar fishসাকার মাছ

এর আগে ২০২২ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সাকার মাছ নিষিদ্ধ করতে একটি প্রস্তাব প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করে মন্ত্রণালয়। সেখানে বলা হয়, এই মাছটি নিষিদ্ধের বিষয়ে কারও কোনো আপত্তি বা পরামর্শ থাকলে তা দুই মাসের মধ্যে লিখিতভাবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে জানাতে হবে।

মন্ত্রণালয় থেকে ১১ জানুয়ারি জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সেই দুই মাস সময় শেষ হয়েছে। প্রাপ্ত মতামতের ভিত্তিতে সাকার মাছ নিষিদ্ধের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। এখন থেকে সাকার মাছ আমদানি, প্রজনন, চাষ, পরিবহন, বিক্রি, সংরক্ষণ করা যাবে না।

সাকার মাছের ইংরেজি নাম ‘সাকার মাউথ ক্যাটফিশ’। মন্ত্রণালয়ের প্রচারপত্র থেকে জানা যায়, এই মাছ দেশীয় প্রজাতির মাছের ডিম,রেনু, ছোট মাছ, শেওলা, শামুক জাতীয় প্রাণী খেয়ে ফেলে। এতে খাদ্যশৃঙ্খল নষ্ট হয়। দেশীয় মাছের বংশ বিস্তারে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। এ ছাড়া এ মাছ যে জলাশয়ে থাকে সেখানে বড় বড় গর্ত করে ফেলে, এতে জলাশয়ের উৎপাদনশীলতা কমে যায়। মূলত এসব কারণেই নিষিদ্ধ করা হয় সাকার মাছ।

এর আগে ২০০৮ সালে পিরানহা এবং ২০১৪ সালে আফ্রিকান মাগুর নিষিদ্ধ করা হয়েছিল, যদিও এখনো বিভিন্ন সময় এসব মাছ বিক্রি হতে দেখা যায়।

মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক শামীম আরা বেগম বলেন, সাকার মাছ নিষিদ্ধে প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। এখন এটিকে যেভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, সেভাবে করতে হবে। এই মাছের আমদানি, প্রজনন, চাষ, পরিবহন, বিক্রি, সংরক্ষণ যেন না হয় সে ব্যপারে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর