আপনি পড়ছেন

সরকারের আকার খুব বেশি বড় না করে বরং কার্যকর ও দক্ষ একটি মন্ত্রিসভা গঠনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিসর কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে, যেখানে যুক্ত হতে পারেন একাধিক বিশেষজ্ঞ। তথ্যপ্রযুক্তি খাত এবং বিশ্বব্যাংকে কাজের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের পাশাপাশি বিদেশে কর্মরত বিশেষজ্ঞদেরও এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত করার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। এমনকি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারে দায়িত্ব পালন করা কোনো কোনো ব্যক্তিও নতুন কাঠামোতে স্থান পেতে পারেন।

তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারে স্থান পাচ্ছেন কারা?
বাংলাদেশ সরকারের লোগো

যুগপৎ আন্দোলনের মিত্রদের মধ্যে থেকেও বেশ কয়েকজনের নাম মন্ত্রিসভার আলোচনায় রয়েছে। এক্ষেত্রে গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থর নাম জোরালোভাবে শোনা যাচ্ছে। এ ছাড়া ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করে বিজয়ী হওয়া শাহাদাত হোসেন সেলিম ও ববি হাজ্জাজকেও মন্ত্রিসভায় দেখা যেতে পারে।

মন্ত্রিসভায় কাদের রাখা হবে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। এ বিষয়ে কক্সবাজার-১ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘নতুন মন্ত্রিসভা কেমন হতে যাচ্ছে, তা দেখতে দেশবাসীকে আর অল্প সময় অপেক্ষা করতে হবে।’

প্রবীণ ও অভিজ্ঞ নেতাদের মধ্যে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ড. আবদুল মঈন খান, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সেলিমা রহমান এবং সালাহউদ্দিন আহমদের নাম সম্ভাব্য মন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে। পাশাপাশি ২০০১ সালের মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পালনকারী এবং অপেক্ষাকৃত কম বিতর্কিত ছিলেন, এমন সাবেক নেতাদেরও নতুন করে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

দলীয় ও প্রশাসনিক কাজে দক্ষ পেশাজীবীদেরও এবার সরকারে বড় ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে। বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং চিকিৎসকদের নেতা অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের নাম নতুন মুখ হিসেবে শোনা যাচ্ছে। এ ছাড়া দলের নীতি-গবেষণায় যুক্ত একজন অবসরপ্রাপ্ত সচিবকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে এবং বিগত সময়ে দায়িত্ব পালন করা কাউকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।

স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানকে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা করার বিষয়টিও সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। তিনি এবার দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব পর্যায়ের দুজন নেতা, যারা সরাসরি নির্বাচনে অংশ নেননি, তাদেরও মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

ভৌগোলিক ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিশ্চিত করতে মন্ত্রিসভায় বিভিন্ন অঞ্চলের এবং ধর্মাবলম্বীদের প্রতিনিধিত্ব থাকবে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্য থেকে পার্বত্য এলাকার একজন নেতাসহ প্রবীণ কোনো সদস্যকে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। নারী সংসদ সদস্যদের মধ্যে ফরিদপুর, মানিকগঞ্জ ও সিলেট অঞ্চলের নেতাদের নাম বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

তারুণ্যের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে ১০ থেকে ১৫ জন নবীন সদস্যকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনা রয়েছে। চট্টগ্রাম, নেত্রকোনা, ঝিনাইদহ, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, নোয়াখালী, সিলেট ও পঞ্চগড় অঞ্চলের তরুণ নেতাদের নাম এই তালিকায় অগ্রগণ্য। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠনের এই কর্মযজ্ঞ নিয়ে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন নীতিনির্ধারকরা।

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর

Stay up-to-date with the latest news from Bangladesh. Our comprehensive coverage includes politics, business, sports, and culture. Get breaking news, analysis, and commentary on the issues that matter most to Bangladeshis and the international community.

Bangladesh is a country located in South Asia and is home to a diverse population of over 160 million people. It has a rich cultural heritage and a rapidly growing economy. News from Bangladesh covers a wide range of topics, including politics, economics, social issues, culture, and more. The country has made significant progress in recent years in areas such as poverty reduction, education, and healthcare. However, it still faces challenges such as corruption and environmental degradation. Bangladeshi news sources cover both local and international news to keep the public informed about the latest developments and events.