র্যাপার থেকে নেপালের প্রধানমন্ত্রী: যেভাবে বদলে গেল রাজনীতি
- Details
- by আন্তর্জাতিক ডেস্ক
নেপালের রাজনীতিতে চমক সৃষ্টি করে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন সাবেক র্যাপার ও কাঠমান্ডুর মেয়র বালেন্দ্র শাহ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কার্যকর ব্যবহার, তরুণ প্রজন্মের সমর্থন এবং প্রবাসী নেপালিদের সহায়তায় তার এই দ্রুত রাজনৈতিক উত্থান ঘটে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তার এই নেতৃত্ব নেপালের বৈদেশিক নীতির ভারসাম্যের জন্য একটি বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়াবে।

২০২২ সালের আগে কাঠমান্ডুর হিপ-হপ জগতের বাইরে বালেন্দ্র শাহ বা ‘বালেন’ তেমন পরিচিত ছিলেন না। ৩৫ বছর বয়সী এই কাঠামোগত প্রকৌশলী কাঠমান্ডুর বিভিন্ন রুফটপ বার ও অনলাইনে র্যাপ গানে অংশ নিয়ে পরিচিতি পান। তার গানের কথায় মূলত নেপালের দীর্ঘদিনের দারিদ্র্য, দুর্নীতি ও অনুন্নয়নের চিত্র ফুটে উঠত। তার পৈতৃক নিবাস ভারতের সীমান্তবর্তী নেপালের দক্ষিণাঞ্চলে হলেও, তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা রাজধানী কাঠমান্ডুতে। সরকারি চাকরিজীবী বাবা ঐতিহ্যবাহী আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা করতেন, যার সুবাদে বালেন খুব অল্প বয়সেই শহরের জীবন ও রাজনীতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পান।
স্কুলজীবনে রাজনীতির সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। এমনকি ২০২২ সালে কাঠমান্ডুর মেয়র নির্বাচনে নিজের ভোটটি দেওয়ার আগে তিনি কখনো ভোটও দেননি। ওই নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হয়ে তিনি ‘বালেনফরমেয়র’ নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অ্যাকাউন্ট ও ইমেইল খোলেন। আপাদমস্তক কালো পোশাকে সজ্জিত হয়ে তিনি রাজধানীর প্রতিটি প্রান্তে ঘুরে ঘুরে তরুণ ভোটারদের সমর্থন চান এবং পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দেন। দুর্নীতি দমন ও জবাবদিহির প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বিভিন্ন পডকাস্ট ও টেলিভিশন অনুষ্ঠানে হাজির হন।
তরুণ ভোটাররা এই নবীন রাজনীতিকের প্রতি দারুণভাবে আকৃষ্ট হন এবং অনেকেই স্বেচ্ছায় তার প্রচারণায় অংশ নেন। তরুণদের এই সমর্থন প্রবাসী নেপালিদের মাঝেও সাড়া ফেলে। তারা দেশে থাকা আত্মীয়স্বজনদের পুরোনো রাজনীতিকদের বদলে শাহকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। নেপালের প্রায় এক-চতুর্থাংশ পরিবারের অন্তত একজন সদস্য বিদেশে থাকেন, ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম স্থানীয় ভোটার ও প্রবাসীদের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগমাধ্যম হয়ে ওঠে। প্রতিষ্ঠিত দলগুলোর হেভিওয়েট প্রার্থীদের বিপুল ব্যবধানে হারিয়ে শাহ নির্বাচনে জয়ী হন, যা নেপালের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক বিস্ময়ের জন্ম দেয়।
কাঠমান্ডুর মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি প্রথাগত গণমাধ্যম থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন এবং সাংবাদিকদের কাছে অনেকটাই অধরা হয়ে ওঠেন। এর বদলে তিনি ফেসবুক, এক্স ও টিকটকের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অত্যন্ত সক্রিয় থাকেন। প্রায়ই তিনি ছুটির দিনের শুরুতে গভীর রাতে বিতর্কিত বিভিন্ন বার্তা পোস্ট করতেন। বিতর্কের পাশাপাশি তিনি আমলাতান্ত্রিক দক্ষতা বৃদ্ধি, সভার কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচার এবং বেদখল হওয়া সরকারি জমি উদ্ধারে নিজে উপস্থিত থাকার ওপর জোর দেন।
তবে তার কিছু পদক্ষেপ দরিদ্রদের অধিকার নিয়ে গাওয়া তার গানের কথার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে হয়েছে। মেয়রের দায়িত্ব পেয়ে তিনি হকার উচ্ছেদ করেন, রাস্তা প্রশস্ত করেন এবং করখেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেন। এসব পদক্ষেপ তার মেয়াদের শুরুতে সমালোচনার জন্ম দেয়। তবে পূর্ববর্তী মেয়রদের চেয়ে ভিন্ন পথে হেঁটে শাহ প্রায়ই প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করতেন এবং নির্মাণের মান নিয়ে সরাসরি ঠিকাদারদের প্রশ্ন করতেন। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদেও তিনি নগর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সরাসরি অংশ নিতেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া একটি ঘটনায় দেখা যায়, বানেশ্বর এলাকায় পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত বেজমেন্টে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে বাধা দেওয়ায় তিনি এক বাড়ির মালিকের মুখোমুখি হন। ওই ব্যক্তিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘আমার কাছে কি আপনার বাড়ির নকশা থাকার কথা? এটি কার কাছে থাকা উচিত: আপনার নাকি আমার?’
বাড়ির মালিক পিছু হটতে অস্বীকৃতি জানালে শাহ নিজ কার্যালয় থেকে সরকারি নকশা নিয়ে ফিরে আসেন এবং খননযন্ত্র ও নিরাপত্তা কর্মীদের সাহায্যে উচ্ছেদ অভিযান চালান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ইউটিউবে লাখ লাখ মানুষের দেখা এই ঘটনাটি তার সমর্থকদের ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায় এবং তার জনপ্রিয়তা আরও বাড়িয়ে দেয়।
মেয়রের দায়িত্ব পালনের পুরো সময়জুড়ে তিনি প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক নেতা ও আমলাদের প্রকাশ্যে সমালোচনা অব্যাহত রাখেন। তিনি হুঁশিয়ারি দেন, নগর প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা না করলে সরকারি কার্যালয়গুলোর সামনে আবর্জনা ফেলে রাখা হবে। এমনকি কর্মকর্তারা তার পদক্ষেপে সমর্থন না দিলে প্রধান সরকারি ভবন ‘সিংঘ দরবার’ সরিয়ে নেওয়া বা পুড়িয়ে দেওয়ারও হুমকি দেন তিনি। এছাড়া নিজ কার্যালয়ে ‘বৃহত্তর নেপাল’-এর মানচিত্র টানিয়ে তিনি জাতীয়তাবাদী মনোযোগ আকর্ষণ করেন, যেখানে ভারত ও বাংলাদেশের কিছু অংশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। কাঠমান্ডুর সিনেমা হলগুলোতে বলিউড চলচ্চিত্র প্রদর্শনও নিষিদ্ধ করেন তিনি।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে কে পি শর্মা ওলির নেতৃত্বাধীন সরকার নেপালে নিবন্ধিত না হওয়ার অভিযোগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো বন্ধ করে দেয়। এর ফলে তরুণদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। রাজনৈতিক অভিজাত ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মধ্যকার বৈষম্য এবং দুর্নীতি তুলে ধরতে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করছিলেন। এই নিষেধাজ্ঞার ফলে সরকারবিরোধী ক্ষোভ আরও তীব্র হয়। শাহ জেন-জি আন্দোলনকারীদের সমর্থন জানান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে তিনি ওলি সরকারের পতনের লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের রাজপথের বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান। দুর্নীতি ও বৈষম্যের প্রতিবাদে স্কুল ড্রেস পরা হাজার হাজার শিক্ষার্থী কাঠমান্ডুর রাস্তায় নেমে আসে। সে সময় সংসদ ভবনের বাইরে পুলিশ গুলি চালালে ১৯ জন নিহত হন।
পরের দিন পুরো নেপালে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ আন্দোলনকারীরা প্রেসিডেন্ট ভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সংসদ ভবন, সুপ্রিম কোর্টসহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবন এবং নেতাদের বাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও হোটেলে অগ্নিসংযোগ করে। দুই দিনের এই সংঘাতে মোট ৭৭ জন নিহত হন, যা নেপালের আধুনিক ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ প্রাণহানির ঘটনা। এই অস্থিরতার মুখে ওলি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
শাহ পরে আন্দোলনকারীদের নেপাল সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলোচনায় বসার আহ্বান জানান। তার এই আহ্বানের পর বিক্ষোভকারী নেতারা আলোচনা শুরু করেন এবং নতুন নির্বাচনের আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পরিচালনার জন্য সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কিকে সমর্থন দেন।
এই অস্থিরতার সময় বিশেষ করে অগ্নিকাণ্ডে ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর ঐতিহাসিক স্মৃতিস্তম্ভগুলো রক্ষায় ব্যর্থ হওয়ায় মেয়র হিসেবে শাহ সমালোচনার মুখে পড়েন। তিনি ওই পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিতে অস্বীকৃতি জানান এবং এর পরিবর্তে কার্কির নিয়োগকে সমর্থন করেন। তারপরও এই সময়ে তার প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায় এবং তিনি একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। নেপালের তরুণ জনগোষ্ঠীর কারণে এই পরিবর্তন ত্বরান্বিত হয়েছে। দেশটির জনসংখ্যার ৪০ শতাংশেরও বেশি মানুষের বয়স ৩৫ বছরের নিচে এবং গড় বয়স প্রায় ২৫.৭ বছর।
চলতি বছরের শুরুতে শাহ মেয়রের পদ থেকে পদত্যাগ করেন এবং টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব রবি লামিছানের প্রতিষ্ঠিত অপেক্ষাকৃত নতুন রাজনৈতিক দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টিতে (আরএসপি) যোগ দেন। ২০২২ সালের নির্বাচনের পর দলটি সংসদে চতুর্থ বৃহত্তম দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল। তবে পরে সমবায় কেলেঙ্কারি, সংঘবদ্ধ অপরাধ ও অর্থ পাচারসহ লামিছানের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগের কারণে দলটি বিতর্কে জড়ায়। শেষ পর্যন্ত তাকে সংসদ থেকে বরখাস্ত ও কারারুদ্ধ করা হয়। আটকাবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার পর লামিছানে শাহের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছান এবং দলের দ্বিতীয় শীর্ষ পদে তাকে উন্নীত করেন।
শাহ খুব দ্রুতই দলের প্রধান মুখ হয়ে ওঠেন এবং তরুণ, নারী ও প্রবাসী সম্প্রদায়সহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের ব্যাপক সমর্থন আদায় করেন। লামিছানের রাজনৈতিক ধরন যেখানে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল, সেখানে শাহ একটি নমনীয় ও অন্তর্ভুক্তিমূলক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলেন। কোনো ধরনের বিভেদমূলক বক্তব্য বা বিদ্বেষমূলক কথা ছাড়াই তিনি পুরো নেপাল থেকে বিপুল সমর্থন আদায় করেন। চলতি বছরের নির্বাচনে পুরোনো দলগুলো যখন রক্ষণাত্মক অবস্থানে, তখন শাহ প্রজন্মের পরিবর্তনের ডাক দিয়ে নির্বাচনে অংশ নেন এবং বিজয়ী হন।
নিজ নির্বাচনী এলাকায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ওলিকে বিপুল ব্যবধানে পরাজিত করেন শাহ। তার দল ২৭৫ সদস্যের সংসদে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। ১৯৯০ সালে নেপালে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পর এটিই প্রথম এমন ঘটনা। কাকতালীয়ভাবে এই বছরেই শাহ জন্মগ্রহণ করেন।
সুপরিচিত ডিজিটাল সংবাদমাধ্যম অনলাইনখবর-এর সম্পাদক সান্তা গাহা মাগার বলেন, ‘বালেনের বিজয় ব্যাপক রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রভাব ফেলেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পুরোনো নেতাদের প্রতি হতাশা এবং পরিবর্তনের আশা তাকে ক্ষমতায় আসতে সাহায্য করেছে, যা নেপালের রাজনীতির অর্থ ও পদ্ধতি উভয়কেই নতুন করে সংজ্ঞায়িত করেছে।’
মাগার জানান, শাহের এই উত্থান রাজনীতিতে তরুণদের অংশগ্রহণ আরও বাড়াতে পারে। তিনি বলেন, ‘রাজনীতিকে আজীবন পেশা হিসেবে নেওয়া পুরোনো নেতাদের মতো না হয়ে, তরুণরা রাজনীতিতে চেষ্টা করবে এবং নির্বাচনে জনগণের দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হলে তারা নিজেদের পছন্দের পেশায় নিযুক্ত হবে।’
মেয়রের দায়িত্ব পালনের সময় শাহ ভারতবিরোধী বক্তব্য ব্যবহার করলেও, নির্বাচনে জয়ের পর তিনি একাধিক আন্তর্জাতিক মিত্রের সমর্থন পেয়েছেন। তাকে অভিনন্দন জানানো প্রথম দেশগুলোর মধ্যে ভারত অন্যতম। এরপর যুক্তরাষ্ট্র ও চীনও তাকে অভিনন্দন জানায়। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, দুই দেশের পারস্পরিক সমৃদ্ধি, অগ্রগতি ও মঙ্গলের জন্য তিনি একসঙ্গে কাজ করার অপেক্ষায় আছেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, শাহের নেতৃত্ব শক্তিশালী প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার ক্ষেত্রে নেপালের সক্ষমতার একটি পরীক্ষা নেবে। ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক প্রেম রাজ খানাল বলেন, ‘বৈদেশিক সম্পর্কের দৃষ্টিকোণ থেকে বালেনের ক্ষমতায় আরোহণ একটি অগ্নিপরীক্ষা হতে যাচ্ছে। জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় তিনি কীভাবে প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখেন, সেটিই এখন দেখার বিষয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘পুরোনো দলের নেতাদের মতো প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রে তার কোনো দায়বদ্ধতা নেই। তিনি কীভাবে কাজ করেন, তা দেখার অপেক্ষায় আছি আমরা।’
গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...
খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর
Stay up-to-date with the latest news from Bangladesh. Our comprehensive coverage includes politics, business, sports, and culture. Get breaking news, analysis, and commentary on the issues that matter most to Bangladeshis and the international community.
Bangladesh is a country located in South Asia and is home to a diverse population of over 160 million people. It has a rich cultural heritage and a rapidly growing economy. News from Bangladesh covers a wide range of topics, including politics, economics, social issues, culture, and more. The country has made significant progress in recent years in areas such as poverty reduction, education, and healthcare. However, it still faces challenges such as corruption and environmental degradation. Bangladeshi news sources cover both local and international news to keep the public informed about the latest developments and events.