আপনি পড়ছেন

ক্রিকেট পরাশক্তিদের তালিকা করলে দক্ষিণ আফ্রিকা সব সময় প্রথম দিকে থাকবে। কিন্তু দুর্ভাগ্য তাদের। এখন পর্যন্ত একবারও বিশ্বকাপ জিততে পারেনি প্রোটিয়ারা। এমনকি খেলা হয়নি বিশ্বকাপ ফাইনালও। ২০১৫ বিশ্বকাপে কী হবে? এ প্রশ্নের উত্তর দিবে সময়। তবে তার আগে অনুমান করতে তো সমস্যা নেই। আসলেই সামনের বিশ্বকাপে চমকে দিতে পারে প্রোটিয়ারা। ক্রমশই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠা প্রোটিয়াদের বর্তমান পারফর্ম কিন্তু তাই বলছে। জিম্বাবুয়েতে অনুষ্ঠেয় তিনজাতির ওয়ানডে সিরিজে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। শনিবার অনুষ্ঠেয় ফাইনালে ছয় উইকেটে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছে তারা।

এর আগে এই আসরেই ৩২৭ রানের লক্ষ্য পূরণ করেও অস্ট্রেলিয়ার জয়ের স্বপ্ন ছাই করে দিয়েছিলো তারা। দক্ষিণ আফ্রিকার বর্তমান টপ অর্ডার ইতিহাসের অন্যতম সেরা। টপঅর্ডারের একমাত্র তরুণ কুইনটন ডি কক। তিনিও খেলছেন দুর্দান্ত। এ ছাড়া হাশিম আমলা, এবি ডি ভিলিয়ার্স, ফ্যাফ ডু প্লেসিসও আছেন। ব্যাটিং অর্ডারের পরের জায়গা দুটি জেপি ডুমিনি ও ডেভিড মিলারের। বিশ্বের যে কোনো দেশের বোলিং লাইন এলোমেলো করে দেয়ার জন্য এই ব্যাটিং অর্ডারই যথেষ্ট।

তিনজাতির সিরিজে সর্বোচ্চ রান করেছেন ডু প্লেসিস। পাঁচ ম্যাচে তিনটি সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। ফাইনালে খেলেছেন ৯৬ রানের ইনিংস। ফর্মের তুঙ্গে আছেন এই তারকা। তার চেয়ে কোনো অংশে কম নন অধিনায়ক ডি ভিলিয়ার্সও। সব মিলিয়ে সামনের বিশ্বকাপে বিশ্বকে আসলেই চমকে দিতে পারে প্রোটিয়ারা।

তিনজাতির সিরিজের ফাইনালে আগে ব্যাটিং করে ২১৭ রান করে অস্ট্রেলিয়া। ৫০ ওভারে এ রান করতেই ৯ উইকেট হারায় তারা। জবাবে ৯ ওভারের বেশি বাকি থাকতে এবং ছয় উইকেট হাতে রেখেই ম্যাচ জিতে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ডু প্লেসিস করেন ৯৬ রান। এ ছাড়া হাশিম আমলা ও ডি ভিলিয়ার্স হাফ সেঞ্চুরি করেন। ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন অসিদের চার উইকেট নেয়া ডেল স্টেইন। আর সিরিজ সেরার পুরস্কার পান ফ্যাফ ডু প্লেসিস।

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর