আপনি পড়ছেন

সেন্ট লুসিয়ায় ২৯৬ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। চতুর্থ ইনিংসে জয়ের জন্য মুশফিকদের লক্ষ্য দাঁড়িয়েছিলো ৪৮৯ রান। হাতে সময় ছিলো ছিলো পুরো একদিন এবং আরো দুই সেশনের বেশি। জয় দূরে থাক, ড্র করাও কষ্টসাধ্য ছিলো মুশফিকদের জন্য। সেই কষ্টটাও অবশ্য করতে হয়নি। সুলেমান বিনের পাঁচ উইকেট শিকারে নিজেদের শেষ ইনিংসে মাত্র ৩৪ রানে আট উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ অলআউট হয়ে গেছে ১৯২ রানে।

তামিম ও সামসুরের ওপেনিং জুটে দীর্ঘ হয়েছিলো ৪৭ রান পর্যন্ত। চারটি চার ও দুটি ছয়ে ৩৮ বলে ৩৯ রান করেছিলেন সামসুর। অতিরিক্ত আক্রমণাত্মক মেজাজের মাশুল দিয়ে ছয় মারতে গিয়েই আউট হন তিনি। সামসুরের পর কোনো রান না করে ফিরেন এনামুল হক বিজয়। টেস্ট ক্রিকেটের উত্তপ্ত ময়দানের জন্য এখনো যথেষ্ট প্রস্তুতি যে তার নেই, তাই যেনো প্রমাণ করেছেন এনামুল।

৪৮ রানে দুই উইকেট হারানোর পর তৃতীয় উইকেটে দারুণ এক জুটি গড়েন তামিম ও মুমিনুল। ৪৭ ওভার এক বল ব্যাটিং করে স্কোরবোর্ডে ১১০ রান তুলেন এ দুজন। চতুর্থ দিনটা ভালোভাবে শেষ করার ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন তারা। কিন্তু দলীয় ১৫৮ রানে তামিমের আউটের পর হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইন। মাত্র ৩৪ রানে ফিরে যান শেষ আট ব্যাটসম্যান!

এই ইনিংসে সুলেমান বেন শিকার করেন পাঁচ উইকেট। জেরমন টেইলর নেন তিন উইকেট। ম্যাচে অপরাজিত হাফ সেঞ্চুরি ও সেঞ্চুরির কল্যাণে সেরার পুরস্কার পান শিবনারায়ন চন্দরপল। পুরো সিরিজে বাংলাদেশি বোলারদের শাসন করার পুরস্কার পান ক্রেইগ ব্রাথওয়াইট। সিরিজ সেরা হন তিনি।

দারুণ জয়ে নিজেদের ৫০০তম টেস্ট স্মরণীয় করে রাখলো ক্যারিবীয়রা। পক্ষান্তরে লজ্জার পরাজয় নিয়ে সিরিজ শেষ করলো বাংলাদেশ। এবারের ক্যারিবীয় সফরে একটা জয়ও জুটেনি বাংলাদেশের ভাগ্যে।