আপনি পড়ছেন

শিক্ষাখাতের মরণব্যাধি নকল করা। তাতে যে কেবল শিক্ষার্থীদেরই আগ্রহ, তা নয়। অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষকরাও এর সঙ্গে জড়িয়ে যান। নিজের স্কুল বা ব্যাচের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষাযুদ্ধ পার করিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে এ প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হন শিক্ষক। পরীক্ষায় নকল করা থেকে শিক্ষার্থীদের ঠেকানো যেমন-তেমন, শিক্ষককে ঠেকানো তো দায়। এবার তাই পুরোপুরি ভিন্ন পথে হেঁটেছে ভারতের মধ্যপ্রদেশের শিক্ষাদপ্তর। অভিনব এ পদক্ষেপে পুরো রাজ্যে শোরগোল পড়ে গেছে।

coping in examঅনেক জায়গায় শিক্ষকরাই সহায়তা করেন নকলে

মধ্যপ্রদেশের শিক্ষাদপ্তর প্রায় দেড়শ প্রাইভেট শিক্ষকের একটি তালিকা প্রস্তুত করে। তাদের ডবার বিরুদ্ধে পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থীদের নকলে সহায়তা করার অভিযোগ রয়েছে। কর্তৃপক্ষ মধ্যপ্রদেশের ভিন্ড ও মোরেনার জেলার পরীক্ষার চলাকালে এসব প্রাইভেট শিক্ষকদের থানায় থাকার নির্দেশ দেয়।

এমন আজব এক নির্দেশনা এর আগে কখনও শোনা যায়নি। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার এই নির্দেশের পর রাজ্যজুড়ে শোরগোল পড়ে যায়।

exam copy in schoolপরীক্ষায় নকল

মধ্যপ্রদেশের মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হয়েছে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে। চলবে ১২ মার্চ পর্যন্ত। কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মানতে পরীক্ষার প্রথম দিন জেলা শিক্ষাদপ্তরের এই নির্দেশের পর বহু প্রাইভেট শিক্ষককে থানায় থাকতে দেখা গেছে।

মধ্যপ্রদেশের জেলা শিক্ষাদপ্তর সূত্র জানায়, রাজ্যের মাধ্যমিক পর্যায়ের পরীক্ষায় নকলের অভিযোগ বহুদিনের। এটি বন্ধে নানা ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হলেও তা বন্ধ করা যাচ্ছিল না। কারণ ঘাটতে গিয়ে দেখা যায়, প্রাইভেট শিক্ষকরা নিজেদের ক্যারিয়ার উজ্জ্বল করতে শিক্ষার্থীদের নকল করতে সাহায্য করে থাকেন। এই ধারাটি বন্ধ করতেই শিক্ষাদপ্তর অভিনব এ সিদ্ধান্ত নেয়।

পরীক্ষার সময় অভিযুক্ত প্রাইভেট শিক্ষকদের থানার পাশাপাশি ডিস্ট্রিক্ট ইনস্টিটিউট অব এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারে বসিয়ে রাখা হয়। এ বিষয়ে জেলার ডিইও হরিভুবন সিং জানিয়েছেন, প্রাইভেট শিক্ষকরা যাতে কোনোভাবেই শিক্ষার্থীদের নকলে সহায়তা করতে না পারেন তার জন্য এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর