advertisement
আপনি দেখছেন

পবিত্র রজব মাসের চাঁদ দেখার পর থেকেই রাসুল (সা.) মাহে রমজানের জন্য মনে প্রাণে প্রস্তুত হতেন বলে হাদিস ও সিরাতের কিতাবে পাওয়া যায়। আম্মাজান আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) রমজানের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে শাবান মাসে বেশি রোজা রাখতেন।

diet in ramadan

মুসলিম শরিফের বর্ণনায় এসেছে, রমজানের প্রস্তুতি হিসেবে শাবান মাসে রাসুল (সা.) এত বেশি রোজা রেখেছেন, যা আর কোনো মাসে রাখতে তার স্ত্রী কিংবা সাহাবিরা দেখেননি। মুসলিম শরিফে একথাও এসেছে, কোনো কোনো বছর রাসুল (সা.) পুরো শাবান মাসজুড়েই রোজা রেখে রমজানের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতেন।

পবিত্র মাস মাহে রমজান খুব কাছাকাছি চলে এসেছে। যারা রজব থেকে মাহে রমজানের জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছেন তারা নিঃসন্দেহে সৌভাগ্যবান। যারা এখনো রমজানের প্রস্তুতি নিতে পারেননি, তাদের জন্য এখনো সময় আছে।

সালফে সালেহিনরা রমজানের প্রস্তুতি নিতেন কাজকর্ম কমিয়ে এনে। যদিও আজকাল আমরা রমজান উপলক্ষ্যে কাজ বাড়িয়ে, ব্যবসা ও ব্যস্ততা বাড়িয়ে রমজানের প্রস্তুতি নিয়ে থাকি। বিষয়টি সত্যিই দুঃখজনক।

সালফে সালেহিনরা রমজানের প্রস্তুতির জন্য একটি পরামর্শই বেশি দিতেন। রমজান কোরআন নাজিলের মাস। আমাদের সবার উচিত এ মাসে বেশি করে কোরআন পড়া ও বোঝার চেষ্টায় মশগুল থাকা।

মাওলানা আশরাফ আলী থানভী (রহ.) বলেন, রমজানে কোরআন পড়া ও বোঝার জন্য উত্তম সময়। এ মাসের কোরআন বোঝার জন্য আল্লাহ বান্দার হৃদয়কে খুলে দেন।

মাওলানা রশিদ আহমদ গাঙ্গুহি (রহ.) বলেন, মুমিনের উচিত যতটা পারা যায় রমজানে ব্যস্ততা কমিয়ে কোরআনে মশগুল থাকা।

মাওলানা হোসাইন আহমদ মাদানি (রহ.) বলেন, বুখারি শরিফের বর্ণনায় এসেছে, রমজানে রাসুল (সা.) বেশি কোরআন পড়তেন এবং অকাতরে দান খয়রাত করতেন। আমাদেরও উচিত রমজানকে কোরআন এবং দান খয়রাতের মাস হিসেবে গ্রহণ করা।