advertisement
আপনি দেখছেন

এই না হলে স্মার্টফোন! লুকেও স্মার্ট, আবার কাজেও। লঞ্চ হওয়ার পর থেকেই রীতিমতো চর্চার কেন্দ্রে ছিল ৪৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার শাওমি রেডমি নোট ৭। এর ঝাঁ চকচকে মডেল, ক্যামেরার গুণ এবং এক্কেবারে অটুট থাকার আশ্বাস দেওয়া গোরিলা গ্লাস স্ক্রিন নিয়ে যখন আলোচনা তুঙ্গে, তখনই চমকটা দিল শাওমি।

xiomi redmi note 7

পৃথিবী ছাড়িয়ে সোজা মহাকাশে পাঠিয়ে দিলো রেডমির এই নতুন মডেল। আর অবাক কাণ্ড, দিব্যি মহাকাশের ফটাফট ছবিও তুলে ফেলল এই ফোনের হাইপিক্সেল ক্যামেরা।

গ্যাস বেলুনে বেঁধে রেডমি নোট ৭-এর তিনটি মডেল পাঠানো হয় মহাকাশে। গোটা বিষয়টা প্রথমে পরীক্ষামূলকভাবে করা হলেও, সংস্থা জানিয়েছে, তারা অভাবণীয় সাফল্য পেয়েছে। মহাকাশের নিখুঁত ছবি তো বটেই, এমনকি সম্পূর্ণ অক্ষত দেহে ফের মাটিতে ল্যান্ড করেছে রেডমির এই মডেল। তাতে সামান্য স্ক্র্যাচের চিহ্নটুকুও নেই।

গোটা ঘটনাই ভিডিও শ্যুট করে নিজেদের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেলে ছেড়েছে শাওমি। ফোনের এমন পারফরম্যান্স দেখে সেই টুইটে লাইক, কমেন্টও পড়ছে বিস্তর। রেডমি নোট ৭-এর কারসাজি দেখে সংস্থার পক্ষ থেকের এও ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে, এই ফোন নাকি পৃথিবীরই নয়, একেবারে ‘আউট অব দ্য ওয়ার্ল্ড।’

দ্য ওয়াল বলছে, রেডমির ক্যামেরা বরাবরই প্রশংসনীয়। বিশেষত রেডমি নোট ৭ লঞ্চ করার পর এর বিশেষ ৪৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা নিয়ে বেশ মাতামাতি হয় বাজারে। এই মডেলের রিয়ার বা ব্যাক ক্যামেরায় রয়েছে দুটি প্যানেল। প্রথমটা ১২ মেগাপিক্সেল সেন্সর এবং দ্বিতীয়টা ২ মেগাপিক্সেল সেন্সর যুক্ত। ১৩ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরার সঙ্গেই বিশেষ আকর্ষণ এর ৪৮ মেগাপিক্সেলের বিশেষ সেন্সর।

সংস্থার সিইও লেই জুনের কথায়, এই সেন্সর মহাকাশের নিখুঁত ছবি তুলে এনেছে। ভূমি থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার উচ্চতায় যেখানে তাপমাত্রা ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সেখানেও নির্ভুলভাবে কাজ করেছে এই ফোনের ক্যামেরা সেন্সর। পাশাপাশি এর গোরিলা গ্লাস ফোনে কোনো রকম স্ক্র্যাচ পড়তে দেয়নি।

কাজেই মহাকাশ ঘুরে এসেছে যে ফোন, সে যে পৃথিবীতে বহুদিন টিকবে সে কথা এখন বেশ ফলাও করেই প্রচার করছে শাওমি।

sheikh mujib 2020