advertisement
আপনি দেখছেন

স্মার্টফোনের জগত যতো সম্প্রসারিত হচ্ছে, ব্যাটারির স্থায়িত্ব নিয়ে বাড়ছে ততোই দুশ্চিন্তা। পাঁচ হাজার এমএএইচের ব্যাটারির অনেক বাজারে আছে। তারপরও অনেক গ্রাহক আরো দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারির জন্য আফসোস করেন। সেই আফসোস এবার দূর হতে পারে স্যামসাংয়ের কল্যাণে।

samsung m 51 is set to come up

বিশ্বের অন্যতম প্রধান স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি ৭০০০ এমএএইচ ব্যাটারি সম্বলিত নতুন ফোন বাজারে আনতে যাচ্ছে। স্যামসাং এম-ফিফটিওয়ান মডেলের ফোনটি এরই মধ্যে জার্মানির বাজারে বিক্রি করার জন্য প্রস্তুত। ওই অঞ্চলে ফোনটির জন্য আগাম ফরমায়েশ নিচ্ছে স্যামসাং।

ভারতের বাজারেও শিগগিরই ফোনটি পাওয়া যাবে বলে প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন। স্যামসাং এরই মধ্যে ভারতের বাজারে একটি টিজার প্রকাশ করে এম-ফিফটিওয়ান মডেলের ফোন বাজারে আনার আভাস দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ভারতের বাজারের পাশাপাশি ফোনটি বাংলাদেশের বাজারেও ছাড়া হবে।

বাজারে আসার পর এটিই হবে জনপ্রিয় এবং বহুল ব্যবহৃত ব্রান্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যাটারির ফোন। এর আগে এনারজাইজার ব্রান্ডের একটি ফোনে ১৮০০০ এমএএইচ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যাটারি যোগ করা হয়েছিলো। কিন্তু এই ব্রান্ডের ফোন তেমন জনপ্রিয় হয়নি।

ব্যাটারির পাশাপাশি মধ্যম মানের ফোনগুলোতে যে ধরনের সুবিধা থাকে, এম-ফিফটিওয়ান মডেলে তা নিশ্চিত করেছে স্যামসাং। এই ফোনের পর্দার আকৃতি ৬.৭ ইঞ্চি এবং এতে আছে ৩২ মিগামিক্সেল সেলফি ক্যামেরা। যা তরুণ অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারিদের দারুণভাবে আকৃষ্ট করতে সক্ষম।

১২৮ জিবি অভ্যন্তরীণ ধারণক্ষমতার ফোনটিতে র‍্যাম হলো ছয় জিবির। অর্থাৎ গতির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ প্রযুক্তি নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছে স্যামসাং। জার্মানিতে ফোনটির মূল্য ধরা হয়েছে ৪২৯ ডলার। বাংলাদেশি টাকায় যায় ৪০ হাজারের সামান্য কম।

তবে বাংলাদেশের বাজারে ফোনটির মূল্য আরো কম হতে পারে। কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশেই ফোন সংযোজন করছে স্যামসাং। এই ফোনটিও বাংলাদেশে সংযোজিত হবে কি না তা এখনো নিশ্চিত নয়। এটি যদি বাংলাদেশে সংযোজিত হয়, তাহলে এর মূল্য ৩০ থেকে ৩৫ হাজারের মধ্যেই থাকতে পারে।

sheikh mujib 2020