advertisement
আপনি দেখছেন

আধুনিক বিশ্বে সবকিছুই এখন হাতের মুঠোয়। প্রায় প্রত্যেকের কাছেই রয়েছে স্মার্টফোন। যাদের অধিকাংশেরই রয়েছে ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইল। এর মধ্যে অনেক ভূয়া প্রোফাইলও রয়েছে। যা দিয়ে বিভিন্ন সাইবার ক্রাইম করা হয়ে থাকে। তাই নিজের প্রোফাইল নিরাপদ রাখা বেশ গুরত্বপূ্র্ণ। তাই চলুন জেনে নেয়া যাক ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইল নিরাপদ ও সুরক্ষিত রাখার বিভিন্ন কৌশল সম্পর্কে।

facebook code

১) ফেসবুক সেটিংসে ‘সিকিউর ব্রাউজিং' অপশন রয়েছে। ওই অপশনে ঢুকতে হবে এবং ‘ব্রাউজ ফেসবুক অন অ্যা সিকিউর কানেকশন (এইচটিটিপিএস) হোয়েন পসিবল' বক্স চেক করতে হবে।

২) সেটিংসের পরের অপশনে ‘লগইন নোটিফিকেশনস’ রয়েছে। ওই অপশনে কতগুলো বক্স পাওয়া যায়। সেগুলো চেক করতে হবে। এক্ষেত্রে যদি কেউ অন্যের প্রোফাইলে ঢুকতে চেষ্টা করে, তাহলে প্রোফাইলের মালিকের কাছে একটি বার্তা যাবে। এতে ব্রাউজার নাম, কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেমও জানিয়ে দেয়া হয়। যা প্রোফাইলকে নিরাপদ রাখে।

৩) তৃতীয় অপশন সিকিউরিটিতে ‘লগইন অ্যাপ্রোভালস' রয়েছে। সেটার এডিট অপশনে ক্লিক করার পর ‘রিকয়ার অ্যা সিকিউরিটি কোড টু অ্যাকসেস মাই অ্যাকাউন্ট ফ্রম আননোন ব্রাউজারস' বক্স পাওয়া যাবে। সেখানে ‘লগইন অ্যাপ্রোভালস ইজ অ্যান এক্সট্রা লেয়ার অফ সিকিউরিটি দ্যাট ইউজেস ইওর ফোন টু প্রটেক্ট ইওর অ্যাকাউন্ট' লেখা একটি বক্স আসবে। বক্সটির ‘গেট স্টারটেড' লেখায় ক্লিক করতে হবে। এতে প্রোফাইল নিরাপদ থাকবে।

cyber hac

৪) সেটিংসে ‘টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন’ নামে আরো একটি অপশন রয়েছে। সেটি চালু করলে প্রোফাইল নিরাপদ থাকবে। এক্ষেত্রে যদি কেউ অন্যের প্রোফাইলে ঢুকতে চেষ্টা করে, তাহলে প্রোফাইলের মালিকের কাছে একটি বার্তা যাবে। সেখানে একটি কোড চাওয়া হবে। যা মোবাইল এসএমএস বা ফেসবুক অ্যাপের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে জানিয়ে দেয়া হয়।

৫) এরপর ‘ট্রাস্টেড কনট্রাক্টস' নামে একটি অপশন রয়েছে। এক্ষেত্রে পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে বা কেউ অ্যাকাউন্ট হ্যাক করলে তা পুনরুদ্ধার করা যায়। এ জন্য অন্তত তিনজনকে ট্রাস্টেড কনটাক্টসে রাখতে হবে।

৬) প্রাইভেসি অপশনে গেলে ‘হু ক্যান সি মাই স্টাফস’ লেখা থাকে। ওই অপশন এডিট করে ‘ফ্রেন্ডস অব ফ্রেন্ডস' থেকে ‘ফ্রেন্ডস (অনলি)' করতে হবে। এতে কোনো হ্যাকার সহজে প্রোফাইল খুঁজে পাবে না।

fb hac

৭) বন্ধু তালিকায় অপরিচিত কাউকে রাখা যাবে না। নয়তো হ্যাকাররা আপনার কোনো বন্ধুর নাম ও ছবি ব্যবহার করে ভুয়া প্রোফাইল খুলতে পারে।

৮) অপরিচিত ও অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ ডিলিট করে ফেলতে হবে।

৯) ফেসবুকে আসা গেমগুলো খেলা যাবে না। এগুলো ক্লিক করলেই তথ্য পাচারের সম্ভাবনা থাকে। তাই এগুলো থেকে দূরে থাকতে হবে।

১০) ফেসবুকের মাধ্যমে অন্য কারো সঙ্গে কোনো অ্যাপ শেয়ার করে থাকলে তা ডিলিট করে ফেলতে হবে।

১১) প্রোফাইলের প্রত্যেকটি অপশন অনলি মি করে রাখতে হবে।

১২) ফেসবুক ডেটা ডাউনলোড করতে হবে। এ জন্য ফেসবুক পেজের ডানদিকে একদম ওপরে গিয়ে সেটিংস সিলেক্ট করার পর জেনারেল অ্যাকাউন্ট সেটিংসের নিচে ‘ডাউনলোড অ্যা কপি অব ইওর ফেসবুক ডেটা’ অপশন রয়েছে। সেখানে ক্লিক করার পর ‘স্টার্ট মাই আর্কাইভ’ আসবে। সেটায় ক্লিক করে রাখতে হবে।

১৩) পাবলিক প্লেসে লগ ইন না করাই উত্তম।

১৪) অন্য কারো সঙ্গে পাসওয়ার্ড শেয়ার করা যাবে না।

sheikh mujib 2020