advertisement
আপনি দেখছেন

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের প্রায় প্রত্যেকেই ভোগেন শ্বাসকষ্টজনিত অবর্ণনীয় কষ্টে। সেই কষ্ট কিছুটা লাঘব হয় প্রচলিত ভেন্টিলেটর বা শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখার যন্ত্রের মাধ্যমে। কিন্তু করোনা ভাইরাসের কারণে তীব্র শ্বাসকষ্ট হলে প্রচলিত যন্ত্রের মাধ্যমে তা আর সমাধান করা যাচ্ছে না। এবার তাই অন্য কিছু করার চেষ্টা করছে যুক্তরাজ্য সরকার। তারা একাধিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে আরো শক্তিশালী ও কার্যকর ভেন্টিলেটর বানানো যায় কি না তার বাস্তবতা পরীক্ষা করে দেখতে বলেছে। এর মধ্যে বিখ্যাত ফোর্ড কোম্পানিও।

uk asked ford to manufacture new ventilato

যুক্তরাজ্য ফোর্ডের একজন কর্মকর্তা সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, যুক্তরাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আরো উন্নত ভেন্টিলেটর বানানোর অনুরোধ এসেছে এবং ফোর্ড এই কাজ করতে আগ্রহী। তারা ইতোমধ্যেম নতুন ধরনের ভেন্টিলেটর বানানোর সম্ভাব্যতা যাচাই করা শুরু করেছে।

জাপানি গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হোন্ডার যুক্তরাজ্য শাখাও সে দেশের সরকারের পক্ষ থেকে একই অনুরোধ পেয়েছে। হোন্ডার একজন কর্মকর্তা সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন তারা এরই মধ্যে সম্ভাব্যতা যাচাই করা শুরু করেছেন এবং এমন কিছু ক্ষেত্রে খুঁজে পেয়েছেন সে স ক্ষেত্রে সরকারকে সহায়তা করা তাদের পক্ষে সম্ভব।

টয়োটাও একই ধরনের অনুরোধ পেয়েছে। তবে এখনো তারা ভেন্টিলেটর বানিয়ে সহায়তা করার মতো কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে কি না তা প্রকাশ করেনি। টয়োটার পক্ষ থেকে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে কেবল বলা হয়েছে যে, করোনা ভাইরাসজনিত মহামারীতে সরকারকে সাহায্য করার জন্য তারা প্রস্তুত।

করোনা ভাইরাস ঠেকাতে জাতীয় উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার। এক বিবৃতি তারা বলেছে, “আপাতত আমাদের একটি মাত্র মূল লক্ষ্য, আর তা হলো করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকানো। এই কাজটি করার জন্য আমরা শিল্প-কারখানাগুলোকে অনুরোধ করবো যতো সম্ভব এক যোগে আমাদের সহায়তা করুন। সবাই এক যোগে কাজ করতে পারলে আমরা করোনা ভাইরাস ঠেকাতে সক্ষম হবো।”

যুক্তরাজ্য সরকারের মতো এই ধরনের উদ্যোগ আর কোনো দেশ নিয়েছে কি না তা আপাতত অস্পষ্ট। তবে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কিছু প্রদেশ কিছু আগ্রাসী পদক্ষেপ নিয়ে যাতে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকানো যায়। বাংলাদেশেও করোনা ভাইরাস ঠেকাতে নানা রকম প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। যদিও নাগরিক অসচেতনতার অভাবে বাংলাদেশে এখনো আশানুরূপ কিছু লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ২০ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন একজন।