advertisement
আপনি দেখছেন

জাপানের ফুগাকু নামে সুপারকম্পিউটারটি বিশ্বের দ্রুততম সুপারকম্পিউটার। এর মাধ্যমে করোনাভাইরাসের একটি কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতি খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে।

fugaku world fastest supercomputerজাপানের ফুগাকু সুপারকম্পিউটার

ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের বরাতে জানা যায়, ফুগাকু প্রতি সেকেন্ডে ৪১৫ কোয়াড্রিলিয়ন হিসাব করতে সক্ষম। যা যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে দ্রুত সুপারকম্পিউটারের তুলনায় ২ দশমিক ৮ গুণ দ্রুততম। সামিট সিস্টেম নামে যুক্তরাষ্ট্রের সেই কম্পিউটারটি বর্তমানে ওক রিজ ন্যাশনাল ল্যাবে আছে। এটি গত দুই বছর ধরে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত সুপারকম্পিউটারের আসনে স্থলাভিষিক্ত ছিল।

ফুগাকু তৈরি করেছে জাপানের প্রযুক্তি কোম্পানি ফুজিতসু এন্ড রিকেন। তাদের ছয় বছরের প্রচেষ্টায় এই কম্পিউটারটি তৈরি করা সম্ভব হয়েছে।

জানা যায়, এতে দেড় লাখ পারফরমেন্স প্রসিডিংস ইউনিট আছে, যা প্রতি সপ্তাহে হাজার হাজার বস্তু টেস্ট করতে সক্ষম।

pandemic symbolic pictureপ্রতীকী ছবি

গতানুগতিক একটি সাধারণ কম্পিউটারের তুলনায় সুপারকম্পিউটার হাজার গুণ বেশি কার্যকর হয়ে থাকে।

দ্য গার্ডিয়ান বলছে, ফুগাকু তৈরি করতে ১ দশমিক ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ করতে হয়েছে ফুজিতসু এন্ড রিকেনকে। আগামী বছর থেকে এটি সম্পূর্ণ কার্যকর হবে বলে জানা গেছে।

ফুজিতসু এন্ড রিকেন জানায়, শুরুতে আমরা এটি দিয়ে করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য ২ হাজার ওষুধ নিয়ে একটি পরীক্ষা করে দেখবো। এই সুপারকম্পিউটার করোনার কারণে সৃষ্ট সমস্যা ও রোগ থেকে সেরে উঠতে কোন ওষুধটি বেশি কার্যকর তা বিশ্লেষণ করে জানাবে।

তারা জানায়, ফুগাকু ইতোমধ্যে জানিয়েছে যে, কীভাবে ড্রপ্লেট থেকে করোনাভাইরাস আরেক বাহকে পৌঁছে যায়। অফিস বা অন্যান্য কর্মক্ষেত্রে কীভাবে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে তার বিশ্লেষণও পাওয়া গেছে।

ফুজিতসু এন্ড রিকেনের প্রধান শাতোশি মাতসুকা বলেন, আমার বিশ্বাস, করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণে ফুগাকু খুব বড় একটি ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

sheikh mujib 2020