advertisement
আপনি দেখছেন

সম্প্রতি নতুন একটি অ্যাপ বাজারে ছেড়ে এরিয়া ১২০— যা গুগলের একটি ভিন্ন প্রকল্প। নতুন অ্যাপটি ডকুমেন্ট স্ক্যানার হিসেবে কাজ করবে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিভিন্ন ডকুমেন্টকে আলাদা আলাদা ক্যাটাগরিতে ভাগ করে রাখতে পারবে। অ্যাপটির নাম স্ট্যাক।

google launches a document scanning app named stack

এই ধরনের অনেক অ্যাপ বাজারে থাকলেও বিশ্লেষকরা বলছেন এই ধরনের অ্যাপের মধ্যে এইটি সেরা হতে পারে। কারণ এর ফিচার ও অন্যান্য বৈশিষ্ট এই ধরনের অন্য অ্যাপগুলোর চেয়ে উন্নত। এতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাও ব্যবহার করা হয়েছে।

এই ধরনের বেশির ভাগ অ্যাপ ফোনের ক্যামেরার মাধ্যমে ডকুমেন্ট স্ক্যান করে। গুগলের স্ট্যাকও একইভাবে ডকুমেন্ট স্ক্যান করবে। কিন্তু এর আলাদা বৈশিষ্ট হলো রিসিপ্ট, বিল বা ব্যাংকিং স্টেটমেন্ট স্ক্যান করার পর গুরুত্বপূর্ণ অংশ পড়ে ফেলতে পারবে স্ট্যাক এবং সেই অনুযায়ী তৈরি করতে পারবে আলাদা ফোল্ডারও।

এই ফোল্ডারগুলো আলাদা আলাদা ক্যাটাগরিতেও স্বয়ংক্রিয়ভাবে গোছানো থাকবে— যেমন, রিসিপ্ট, বিল, গাড়ি ভাড়া, বাড়ির ডকুমেন্ট বা আইডি— ইত্যাদি। একই সাথে কোনো ডকুমেন্টকে স্টার দিয়ে আলাদা করে রাখা যাবে।

এ ছাড়া স্ক্যান করা ডকুমেন্টের সমস্ত ডাটা স্ট্যাক পড়ে ফেলতে পারবে এবং সে অনুযায়ী ব্যবহারকারি সার্চ করে তার তথ্য খুঁজে পাবেন। স্ট্যাকে থাকা সব তথ্য গুগল ড্রাইভে স্বয়ংক্রিভাবে সংরক্ষিত হয়ে যাবে।

স্ট্যাকই বাজারে থাকা একমাত স্ক্যানার নয়। ক্যামস্ক্যানার নামে অ্যান্ড্রয়েডের জন্য জনপ্রিয় একটি স্ক্যানার আছে। এ ছাড়া আইওএসের জন্যও বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় স্ক্যানার পাওয়া যায়।

স্ট্যাকের আরো একটি বড় সুবিধা হলো এতে গুগলের বিশ্বমানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে ডকুমেন্ট সহজেই হারিয়ে যাওয়ার ভয় নেই। তবে আপাতত কেবল যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাপটি পাওয়া যাবে। কবে নাগাদ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে এটি পাওয়া যাবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য নেই।