advertisement
আপনি পড়ছেন

করোনাকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর মাস তিনেক আগে নিয়ন্ত্রণ বিধি আরোপ করে ভারতের নরেন্দ্র মোদি সরকার। এর বাতিল চেয়ে দেশটির রাজধানী দিল্লির হাইকোর্টে মামলা করেছে হোয়াটসঅ্যাপ।

whatsapp continue on new policy despite worldwide backlashহোয়াটসঅ্যাপ, ফাইল ছবি

রয়টার্স জানায়, মামলায় বলা হয়েছে, মোদি সরকারের এই নিয়ন্ত্রণ বিধির একটি অংশ সংবিধানের গোপনীয়তার অধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।ওই অংশটিতে বলা হয়, কোনো তথ্য সামাজিকমাধ্যমে প্রথম যিনি ছড়াবেন, কর্তৃপক্ষ চাইলে তার বিষয়ে জানাতে হবে সামাজিকমাধ্যমকে।

এটি মানতে হলে ব্যবহারীর তথ্য গ্রহীতা ও তথ্য দাতার গোপনীয়তাই ভাঙতে হবে হোয়াটসঅ্যাপকে। বিষয়টি মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে খবরে।

তবে সংবেদনশীল এই মামলার শুনানি কবে, কখন হবে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এমনকি মন্তব্য করতে রাজি হননি হোয়াটসঅ্যাপের মুখপাত্রও।

narendra modi 2021নরেন্দ্র মোদি, ফাইল ছবি

বিশ্লেষকরা মনে করেন, মোদি সরকারের সঙ্গে ফেসবুক, অ্যালফাবেট ও টুইটারের বিরোধে নতুন মাত্রা যুক্ত করবে মামলাটি। এটি কোন দিকে মোড় নেয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

এর আগে ক্ষমতাসীন বিজেপির এক মুখপাত্রসহ বেশ কয়েক জনের সাম্প্রতিক কিছু পোস্টকে ‘ম্যানিপুলেটেড’ আখ্যা দেয় টুইটার। সেসব কনটেন্ট ভুয়া ছিল বলে জানায় প্রতিষ্ঠানটি। এর পর চলতি সপ্তাহের প্রথম দিকে টুইটার কার্যালয়ে অভিযান চালায় পুলিশ।

প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করছেন ৫৩ কোটি ভারতীয়, এই সংখ্যা ইউটিউবে ৪৪ কোটি ৮০ লাখ, ফেসবুকে ৪১ কোটি, ইনস্টাগ্রামে ২১ কোটি এবং টুইটারে সাড়ে ১৭ কোটি।