advertisement
আপনি দেখছেন

অতিরিক্ত করের চাপে পড়তে যাচ্ছে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক। কর নীতিমালা লঙ্ঘনের দায়ে প্লাটফর্মটিকে অতিরিক্ত কর হিসেবে তিন থেকে পাঁচ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পাশাপাশি জরিমানার কবলেও পড়তে পারে।

facbook user

আয়ারল্যান্ডে সম্পত্তি স্থানান্তরের প্রক্রিয়া নিয়েই এই কর ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির নামে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করেছে মার্কিন ইন্টারনাল রেভিনিউ সার্ভিস (আইআরএস)। সংস্থাটির তদন্তেই বেরিয়ে এসেছে এমন তথ্য।

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এক প্রতিবেদনে প্রকাশ করেছে যে, আয়ারল্যান্ডে সম্পত্তি স্থানান্তরের সময় মার্কিন কর বিভাগকে যে পরিমাণ কর দেয়ার কথা ছিলো ফেসবুকের তা দেয়নি। স্বেচ্ছায় কর কমানোর বিকল্প পথে হেঁটেছে ফেসবুক।

এই অভিযোগের ভিত্তিতেই গত মাসে আইআরএস ফেসবুককে সংবিধিবদ্ধ নোটিশ দেয়া হয়েছে। সেখানেই তিন থেকে পাঁচ বিলিয়ন ডলার কর দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তবে ফেসবুকে ওই নোটিশের বিপরীতে ফেডারেল কর আদালতে চ্যালেঞ্জ জানানোর পরিকল্পনা করছে বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, বিশ্বের বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কর ফাঁকির বিষয়টি নতুন কিছু নয়। এই তো কয়েকদিন আগেও কর ফাঁকির অভিযোগ উঠে টেক জায়ান্ট অ্যাপলের বিরুদ্ধে। মাইক্রোসফটের বিরুদ্ধেও রয়েছে কর ফাঁকির অভিযোগ। অ্যাপলকে এ জন্য নোবেল বিজয়ী এক অর্থনীতিবিদ 'ভন্ডামী' ব্যবসা বলেও আখ্যায়িত করেছেন। এখন দেখা যাক কর ফাঁকির কারণে কি শাস্তি আসে ফেসবুকের ভাগ্যে।

আপনি আরো পড়তে পারেন

খবর না পড়েই শেয়ার করে বেশিরভাগ ব্যবহারকারী

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদের অভিযোগ, ভণ্ডামী ব্যবসা করছে অ্যাপল

ইনস্টাগ্রামে আসছে নতুন সেবা

ফের কর্মী ছাঁটাইয়ে মাইক্রোসফট

শীর্ষস্থান হারালো জনপ্রিয় ‘পোকেমন গো’