advertisement
আপনি দেখছেন

তথ্য-প্রযুক্তির এই যুগে ডিজিটাল বাংলাদেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট হ্যাকিংয়ের ঘটনা বেড়েই চলেছে। গত বছরের ব্যবধানে অ্যাকাউন্ট হ্যাক করার ঘটনা ১৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ২৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। আজ শুক্রবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়।

cyber hacসাইবার হামলা, প্রতীকী ছবি

‘সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস আক্টোবর কর্মসূচি’র আয়োজন করে সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস (ক্যাম) বিষয়ক জাতীয় কমিটি। এতে সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের (সিসিএ ফাউন্ডেশন) সাইবার অপরাধ প্রবণতা গবেষণা প্রতিবেদন তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে মূল গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করে সংগঠনটির উপদেষ্টা রাশনা ইমাম।

২০১৯-২০ সালে দেশে সাইবার অপরাধ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সামাজিকমাধ্যমের পাশাপাশি অন্যান্য অনলাইন অ্যাকাউন্ট হ্যাকিং, তথ্য চুরি ঘটনা বেড়েছে। এর মধ্যে এটিএম কার্ড হ্যাকিংয়ের ঘটনাও রয়েছে। বিষয়টিকে উদ্বোগজনক বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

cca foundationসাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস বিষয়ক জাতীয় কমিটির সংবাদ সম্মেলন 

জরিপের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, সামাজিকমাধ্যমসহ অনলাইন অ্যাকাউন্ট হ্যাকিংয়ের ঘটনা সবচেয়ে বেশি, যা হার ২৮ দশমিক ৩১ শতাংশ। ২০১৯ সালে এই হার ছিল ১৫ দশমিক ৩৫ শাতাংশ। অর্থাৎ প্রায় ১৩ শতাংশ বেড়েছে।

এ ছাড়া সামাজিকমাধ্যমে অপপ্রচারের ঘটনা ২০১৯ সালে ছিল ২২ দশমিক ৩৩ শতাংশ, যা কমে ১৬ দশমিক ৩১ শতাংশে নেমেছে। সাইবার অপরাধের ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীদের বেশিরভাগের বয়স ১৮-৩০, যা ৮৬ দশমিক ৯০ শতাংশ।

এ বিষয়ে সিসিএ ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট কাজী মুস্তাফিজ বলেন, সুস্থ সাইবার স্থাপনার জন্য সরকারের সঙ্গে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। সরকারি-বেসরকারি সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানগুলোর এগিয়ে আসার পাশাপাশি সামাজিক প্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ বাড়ানো দরকার।