advertisement
আপনি পড়ছেন

বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতের সেবার মান নিয়ে অনেকেরই নানা ধরনের খারাপ অভিজ্ঞতা রয়েছে। অনেক গ্রাহকের অভিযোগ, অপারেটরগুলো চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে ভ্যালু অ্যাডেড সার্ভিস এবং প্যাকেজের মাধ্যমে বিভিন্নভাবে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

mobile call rateফাইল ছবি

এসব নিয়ে তিন বছর পর গতকাল বুধবার ঢাকার ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে দ্বিতীয়বারের মতো গণশুনানির আয়োজন করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এতে প্রায় ৫শ’ গ্রাহক উপস্থিত হন। এদের মধ্যে অনেকেই তাদের তিক্ত অভিজ্ঞতা প্রকাশ করে তীব্র অসন্তোষের কথা তুলে ধরেন।

তাদের মধ্যে আবদুস সালাম নামে একজন গ্রাহকের অভিযোগ, আমি প্রতি সেকেন্ড পালসের প্যাকেজ কিনেছি। কিন্তু কথা বলার পর দেখা যাচ্ছে অতিরিক্ত টাকা কেটে নেয়া হচ্ছে। তার মতো অনেক গ্রাহকই টাকা উধাও হয়ে যাওয়ার অভিযোগ তোলেন।

গ্রাহকদের অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে কলড্রপ ও বিভিন্ন প্যাকেজের অতিরিক্ত মূল্য, ইন্টারনেটে গেম খেলার কারণে টাকা কাটা, ভ্যালু অ্যাডেড সার্ভিস বন্ধ করার পর টাকা কাটা, বায়োমেট্রিক সিম নিবন্ধন, সাইবার অপরাধ, মোবাইল ফোনে হুমকি, ফেসবুক ব্যবহারে নিরাপত্তা, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস, ফাইভ-জি, অ্যামেচার রেডিও সার্ভিস, মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি, মোবাইল অপারেটরদের কলসেন্টারের সেবার নানা সমস্যা।

গত ২৪ মে থেকে ৩ জুন পর্যন্ত বিটিআরসির ওয়েবসাইটে ১ হাজার ৩১৯টি প্রশ্ন, অভিযোগ ও মতামত জানান ২০২ জন গ্রাহক। তাদের মধ্য থেকে যাচাই-বাছাই করে ১৬৫ জনকে গণশুনানিতে অংশ নেয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়। তারা উপস্থিত থেকে মোট ১৭টি প্রশ্ন করেন। এছাড়া আমন্ত্রিত অন্য অতিথিদের মধ্য থেকে ৩০-৩৫টি প্রশ্ন নেয়া হয়।

বিটিআরসি জানিয়েছে, এ সব প্রশ্ন ও অভিযোগের বিষয়ে সুরাহা করে ১৫-২০ দিনের মধ্যে নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

এর আগে টেলিযোগাযোগ সেবার মান নিয়ে প্রথমবারের মতো ২০১৬ সালে গণশুনানির আয়োজন করেছিল। এরপর প্রতিবছর শুনানি করার কথা থাকলেও গেল দুই বছরে তা করা হয়নি।