advertisement
আপনি দেখছেন

বাংলাদেশের বিপক্ষে বিশ্বকাপে টিকে থাকার ম্যাচের আগে কয়েকটি কারণে ভীত ইংল্যান্ড। এই ম্যাচটি হেরে গেলে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাবে তারা। পক্ষান্তরে বাংলাদেশ যদি জিতে, তবে পূরণ হয়ে যাবে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলার স্বপ্ন। 

ইংল্যান্ডের প্রধানতম ভয় ২০১১ সালে বাংলাদেশের কাছে হারের ইতিহাস। বিশ্বকাপের ম্যাচে দারুণ খেলে ইংলিশদের উড়িয়ে দিয়েছিলেন সাকিবরা। ওই ম্যাচের দুই নায়ক তামিম ও ইমরুল দলে আছেন এবারও। খুব সম্ভবত তারাই এই ম্যাচে ওপেনিং করবেন। ফলে ইংলিশদের ভীত হওয়া খুব স্বাভাবিক। বাংলাদেশের ড্রেসিংরুমে নাকি ২০১১ সালের ম্যাচটি ভিডিও চালানো হচ্ছে নিয়মিত। যাতে খেলোয়াড়রা অনুপ্রাণিত হন!

ইংলিশদের ভয়ের আরো একটা কারণ বাংলাদেশের স্পিন। এমনিতেই স্পিন মানেই ইংল্যান্ডের যারপরনাই ভয়ের বিষয়। তাদের এ ভয় যেনো কোনোদিনই শেষ হওয়ার নয়। এই বিশ্বকাপে স্পিনাররা তেমন সফল নন। তারপরও এই ম্যাচে বাংলাদেশের স্পিনের সামনে ভুগতে হবে ইংলিশদের। সাকিব বল হাতে দারুণ সফল। উইকেট বেশি না পেলেও রান খুব বেশি দিচ্ছেন না তিন। রান দেওয়া কৃপণতা দেখাচ্ছেন মাহমুদুল্লাহও। এই দুজনের সাথে আছেন সাব্বির রহমান। এদের ছাড়া আজ দলে ঢুকে যেতে পারেন আরাফাত সানিও। সব মিলিয়ে এই স্পিন বাঁধা অতিক্রম করা বেশ কঠিন ইংলিশদের জন্য।

তামিম ইকবালও ইংলিশদের আরেক আতঙ্কের নাম। ২০১০ সালে ঢাকায় ইংলিশদের বিপক্ষে ১২৫ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেছিলেন তামিম। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৯৫ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলছেন তিনি। অর্থাৎ ফর্মেই তুঙ্গেই আছেন এই বাঁহাতি। ফর্মে থাকা তামিম ইংল্যান্ড কেনো, বিশ্বের যে কোনো দলের জন্যই ভয়।

বিশ্বকাপে নিজেদের টিকে থাকা নিশ্চিত করতে চাইলে এই ভয়গুলোকে জয় করতে হবে ইংল্যান্ড। সেটা তারা পারবে কিনা তা বলে দিবে সময়। বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত তারা যেমন খেলছে, তাতে ইংল্যান্ড যদি এসব ভয় জয় করেই ফেলে তবে তা বিস্ময়েরই জন্ম দিবে। আর ইংল্যান্ড যদি এই ভয়ের সামনেই নুয়ে পড়ে, তবে সেটিই হবে স্বাভাবিক বিষয়।

 

আপনি আরো পড়তে পারেন

চেষ্টা করেও পারলো না শ্রীলঙ্কা

পাঁচে পাঁচ নিউজিল্যান্ড