advertisement
আপনি দেখছেন

সিরিজ হার নিশ্চিত হয়েছে আগেই। তারপরও মান বাঁচানোর একটা মঞ্চ পাচ্ছেন মাশরাফি বিন মর্তুজারা। রোববার বেলা দুইটায় ইস্ট লন্ডনে সিরিজের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা। এই ম্যাচে ঠিক কী প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ?

shakib and mahmudullah celebrating a wicket

ওয়ানডে সিরিজের আগে দুই ম্যাচের টেস্টে বিশাল দুটি হার বরণ করতে হয়েছে মুশফিকুর রহিমদের। পরে মাশরাফিদের উদ্দেশ্য ছিলো ওয়ানডেতে ঘুরে দাঁড়িয়ে টেস্টের হারের ক্ষতে প্রলেপ দেয়ার। কিন্তু তা সম্ভব হলো কই! ওয়ানডে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচেও যে দেখা গেছে টেস্টের বাংলাদেশকেই। যারা প্রথম ম্যাচে ২৮২ রান দিয়েও প্রোটিয়াদের একটি উইকেট ফেলতে পারেনি। পরের ম্যাচে যারা প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানদের দিয়ে দিয়েছে ৩৫৩ রানের বিশাল পুঁজি।

এই বাস্তবতা মনে রাখলে শেষ ম্যাচে আসলে খুব বেশি কিছু আশা করতে পারছে না বাংলাদেশ। এ ছাড়া শেষ ম্যাচে থাকছেন না তামিম ইকবাল। মোস্তাফিজুর রহমান তো নেই আগে থেকেই। দুই বিভাগের দুই সেরা অস্ত্রের অনুপস্থিতিতে বাংলাদেশের বাস্তবসম্মত প্রত্যাশা হতে পারে— সম্মানজনক হার!

ব্যাটসম্যানদের মধ্যে মুশফিক ছাড়া ধারাবাহিক নন আর কেউই। মুশফিক ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে করেছিলেন সেঞ্চুরি। পরের ম্যাচেও তার ব্যাট থেকে এসেছে হাফ সেঞ্চুরি। পরের ম্যাচে হাফ সেঞ্চুরি পেয়েছে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন ইমরুল কায়েস।

অন্য ব্যাটসম্যানদের মধ্যে লিটন দাস ও সাব্বির রহমান করতে পারছেন না প্রায় কিছুই। মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ যা করছেন, তাতেও খুব বেশি সন্তুষ্টির জায়গা নেই। হতাশ করছেন নাসির হোসেনও। তাকে দলে নিতে ভক্ত-সমর্থকদের মধ্যে যে গণদাবি উঠেছিলো, তা যে আসলে তেমন যৌক্তিক ছিলো না, নাসির যেনো সেটাই প্রমাণ করে যাচ্ছেন।

শেষ ওয়ানডতেও বাংলাদেশের ভরসার মূল জায়গা থাকবেন মুশফিকুর রহিম। তাকে কেন্দ্র করে যদি সাকিব আল হাসান, সাব্বির রহমান, মাহমুদুল্লাহ ও নাসির হোসেনরা জ্বলে উঠতে পারেন, সেই সঙ্গে বোলাররাও যদি ব্যর্থতার বৃত্তে হানতে পারেন জোর আঘাত; তবেই কেবল শেষ ম্যাচে বড় কিছুর আশা করতে পারে বাংলাদেশ।

ওয়ানডে সিরিজের পর দেশে ফিরে আসবেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। তার সঙ্গে থাকবেন মোস্তাফিজুর রহমান ও তামিম ইকবালও। এরপর দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে মুখোমুখি হবে দুই দেশ।

টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিবেন সাকিব আল হাসান। এর মাধ্যমেই তিন অধিনায়কের যুগে প্রবেশ করবে বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি দুটি হবে অনুষ্ঠিত হবে ২৬ ও ২৯ অক্টোবর। ম্যাচ দুটি হবে যথাক্রমে ব্লুমফন্টেইন ও পচেফস্ট্রুমে।