advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 14 মিনিট আগে

টেস্ট সিরিজ কিছুটা যা জমেছিল। দুই ম্যাচের সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জিতেছিল শ্রীলঙ্কা। ওয়ানডে সিরিজে তো দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে দাঁড়াতেই পারেনি লঙ্কানরা। এবার হোয়াইটওয়াশ হয়েছে তারা। টি-টোয়েন্টি সিরিজটা কেমন হয় সেটাই দেখার অপেক্ষায় ছিলেন ক্রিকেটপ্রেমীরা।

imran tahir to retire from odis after world cup

একপাক্ষিক দুটি সিরিজের পর রীতিমতো থ্রিলার উপহার দিল দক্ষিণ আফ্রিকা ও শ্রীলঙ্কা। মঙ্গলবার কুড়ি ওভারের সিরিজের প্রথম ম্যাচই নিষ্পত্তি হয়েছে সুপার ওভারে। যেখানে বাজিমাত করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ম্যাচ নির্ধারক ওভারে ১৫ রান দরকার ছিল শ্রীলঙ্কার। কিন্তু জাদুকরি বোলিংয়ে (সুপার) ওভারে মাত্র পাঁচ রান দিয়েছেন ইমরান তাহির।

গতকাল রাতে কেপ টাউনে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ১৩৪ রান করেছে দুই দলই। শ্রীলঙ্কার পতন হয়েছে সাত উইকেটের। দক্ষিণ আফ্রিকার একটা বেশি। ইসুরু উদানার ওভারে জয়ের জন্য পাঁচ রান দরকার ছিল প্রোটিয়াদের। তারা নিতে পেরেছে চার রান। শেষ বলে এক রান দিয়েছেন উদানা।

টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে সাত রানে দুই উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। পরে কামিন্দো মেন্ডিসের ২৯ বলে ৪১ রানের (তিনটি চার ও দুটি ছক্কা) ঝড়ো ইনিংসের সুবাদে কোনো রকম লড়াইয়ের পুঁজি দাঁড় করায় লঙ্কানরা। এ ছাড়া আভিস্কা ফার্নান্দো (১৬), অ্যাঞ্জেলো পেরেরা (১৬), থিসারা পেরেরা (১৯), ধনঞ্জয়া ডি সিলভা (১৪) ও উদানা (১২*) উল্লেখ্যযোগ্য রান করেছেন।

১৩৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ২১ রান করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপরই ছন্দ হারায় তারা। ৫৩ রানের মধ্যে হারায় আরো দুই উইকেট। এরপর ফন ডার ডুসেন ও ডেভিড মিলারের ব্যাটে সহজ জয়ই দেখছিল প্রোটিয়ারা। তিন উইকেটে ১১৮ রান তুলে ফেলেছিলেন তারা।

পরে দুর্দান্ত বোলিং নৈপুণ্যে দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসে শ্রীলঙ্কা। ২১ রানে আউট হন ডুসেন। ২৩ বলে ৪১ বলের ঝড়ো ইনিংস খেলেন মিলার। ইনিংসে পাঁচটি চার ও একটি ছক্কা মেরেছেন তিনি। এই দুজন সাজঘরে ফিরতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে প্রোটিয়াদের লোয়ার অর্ডার। তবে দক্ষিণ আফ্রিকাকে জয়ের পথে রেখে যাওয়া মিলার হয়েছেন ম্যাচ সেরা।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

শ্রীলঙ্কা: ১৩৪/৭ (২০ ওভার)
দক্ষিণ আফ্রিকা: ১৩৪/৮ (২০ ওভার)
ফল: (ম্যাচ টাই) সুপার ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকা জয়ী
সিরিজ: তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা

দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি: ২২ মার্চ, ২০১৯

sheikh mujib 2020