advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 10 মিনিট আগে

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) শিরোপা উদ্ধারের অভিজানে দুর্দান্ত গতিতে ছুটছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। বৃহস্পতিবার আরো একটি সহজ জয় তুলে নিয়েছে অরেঞ্জ আর্মিরা। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে লো স্কোরিং ম্যাচে হাদরাবাদ জিতেছে পাঁচ উইকেটে।

sunrisers hyderabad players greet each other after win

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ওভারে আট উইকেটে ১২৯ রান করে শ্রেয়াস আইয়ারের দল। জবাব দিতে নেমে পাঁচ উইকেট ও নয় বল হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় হায়দরাবাদ (১৩১/৫)। লিগের চলতি আসরে অরেঞ্জ আর্মিদের এটা তৃতীয় জয়।

চার ম্যাচে ছয় পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষেও উঠে এসেছে তারা। হায়দরাবাদের সমান পয়েন্ট কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব, চেন্নাই সুপার কিংসেরও। তবে রানরেটে পিছিয়ে থাকায় যথাক্রমে তালিকার দুই ও তিনে আছে পাঞ্জাব ও চেন্নাই। কলকাতা নাইট রাইডার্স, দিল্লি ক্যাপিটালস ও মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের পয়েন্ট সমান চার।

আগে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ধুঁকতে থাকে দিল্লি ক্যাপিটালস। দলীয় সংগ্রহ এক শ ছাড়াতেই বেগ পেতে হয়েছে তাদের। সর্বোচ্চ ৪৩ রান করেছেন আইয়ার। তাও আবার ৪১ বল খরচ করে! দিল্লি অধিনায়কের ইনিংসে আছে তিনটি ছক্কা ও একটি চারের মার।

আইয়ারের প্রস্তুর যুগের ব্যাটিং কিছুটা হলেও শেষ দিকে পুষিয়ে দিয়েছেন অক্ষর প্যাটেল। ১৩ বলে একটি চার ও দুই ছক্কায় ২৩ রানের হার না মানা বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছেন তিনি। এ ছাড়া উল্লেখযোগ্য রান করেছেন দুই ওপেনার পৃথ্বি শ (১১), শিখর ধাওয়ান (১২) ও ক্রিস মরিস (১৭)।

দিল্লিকে ‌'অল্প' রানে বেঁধে ফেলে হায়দরাবাদের জয়ের কাজটা অর্ধেক সেরে ফেলেছেন ভুবনশ্বের-নবি-রশিদরা। ব্যাটসম্যানরা করেছেন বাকি কাজটুকু। ১৩০ রানের মামুলি লক্ষ্যমাত্রায় সহজে পৌঁছে দিতে ব্যাট হাতে মূল অবদানটা রাখলেন জনি বেয়ারস্টো। ২৮ বলে নয়টি চার ও এক ছক্কায় ৪৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেছেন তিনি।

যা ইংলিশ উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যানের হাতে তুলে দিয়েছে ম্যাচ সেরার স্বীকৃতি। কারণ বেয়ারস্টো ছাড়া অরেঞ্জ আর্মিদের কেউ আহামরি কিছু করতে পারেননি। ব্যাট করতে নামা প্রায়সবাই দুই অংকে পৌঁছেছেন। ডেভিড ওয়ার্নার (১০), বিজয় শঙ্কর (১৬), মনীষ পান্ডে (১০), দ্বীপক হুদা (১০), ইউসুফ পাঠান (৯*), মোহাম্মদ নবির (১৭*) ছোটখাটো ইনিংসগুলো অবশ্য দলের জয়ে অবদান রেখেছে।

যদিও বেয়ারস্টো-নবি ছাড়া সবাই ব্যাটিং করেছেন শম্বুক গতিতে। যা দর্শকদের শুধুই ধৈর্য্যের পরীক্ষা নিয়েছে। নয় বলের ইনিংসে নবি দুটি চার ও একটি ছক্কা না মারলে নিশ্চিতভাবেই ম্যাচটা শেষ ওভারে গড়াতো।

sheikh mujib 2020