advertisement
আপনি দেখছেন

টেস্ট র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ করেছে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। এতে বাংলাদেশের অবস্থান পরিবর্তন হয়নি। আগের নয় নম্বর অবস্থানেই আছে টাইগাররা। শীর্ষে আছে যথারীতি ভারত।

fizz imrul test

একটু এদিক-ওদিক হলে বাংলাদেশ অবশ্য নয়ে নাও থাকতে পারত। কদিন আগে ভারতের লক্ষনৌতে একমাত্র টেস্টে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৯ উইকেটে জিতেছে উইন্ডিজ। টেস্টে অপেক্ষাকৃত দুর্বল শক্তির ক্যারিবীয়ানরা এই ম্যাচটা না জিততে পারলে বাংলাদেশ নেমে যেতো দশ নম্বরে, আর আফগানিস্তান উঠে যেতো নয় নম্বরে। বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য সেটা হতো বড় এক লজ্জার।

২০১৭ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়া আফগানিস্তান খেলেছে মাত্র চারটি টেস্ট। অপর দিকে বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস পেয়েছে সেই ২০০০ সালে। ক্রিকেটীয় অবকাঠামোর দিক দিয়েও আফগানদের চেয়ে অনেক এগিয়ে বাংলাদেশ। পরিসংখ্যান বলছে, আফগানিস্তান তাদের অভিষেকের পর থেকে মোট চারটি টেস্ট খেলে দুটিতে জয় এবং দুটিতে পরাজিত হয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ অভিষেকের পর থেকে ১১৭টি টেস্ট ম্যাচ খেলে জয় পেয়েছে ১৩টিতে এবং পরাজয় ৮৮টিতে। আর বাকি ১৬টি ম্যাচ ড্র হয়েছে। 

সর্বশেষ প্রকাশিত র‌্যাঙ্কিংয়ে নয় নম্বরে থাকা বাংলাদেশের রেটিং পয়েন্ট এখন ৬১। এদিকে, আফগানিস্তান ক্যারিবীয়ানদের হারাতে পারলে আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, তাদের রেটিং বেড়ে হতো ৭৪। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের উপরে চলে যেতো দলটি। আর ড্র করলে চার ম্যাচে দুই জয় একটি ড্র আর একটি পরাজয় নিয়ে আফগানিস্তানের পয়েন্ট বাংলাদেশের সমান ৬১ হতো। কিন্তু ভগ্নাংশে এগিয়ে থেকে বাংলাদেশের উপরে চলে যেতো আফগানিস্তান।

১১৯ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ে যথারীতি সবার ওপরে ভারত। দ্বিতীয় স্থানে থাকা নিউজিল্যান্ডের পয়েন্ট ১০৯। এরপর যথাক্রমে ইংল্যান্ড (১০৪ পয়েন্ট), দক্ষিণ আফ্রিকা (১০২), অস্ট্রেলিয়া (৯৯), শ্রীলঙ্কা (৯৫), পাকিস্তান (৮৪), উইন্ডিজ (৮০), বাংলাদেশ (৬১), আফগানিস্তান (৫৫), জিম্বাবুয়ে (১৬), আয়ারল্যান্ড (০)।