advertisement
আপনি দেখছেন

বিভিন্ন অব্যবস্থাপনায় কয়েক দফা খবরের শিরোনাম হয়েছে এবারের বঙ্গবন্ধু বিপিএল। দর্শকসাড়াও সেভাবে মিলছিল না। ঢাকা পর্বে শুক্রবার ছুটির দিন ব্যতিত গ্যালারীতে দর্শক উপস্থিতি বলার মতো ছিল না। দর্শক টানার জন্য যেমন চার ছয়ের ফুলঝুরির প্রয়োজন সেটাও আসলে হচ্ছিল না। তবে বিপিএল বন্দরনগরী চট্টগ্রামে যেতেই যেন জমে উঠল!

mushfiqur rahim bpl seven 94

চট্টগ্রাম পর্বের প্রথম ম্যাচে গ্যালারীতে যথেষ্ঠ দর্শক সমাগম দেখা গেল। মাঠের লড়াইও হলো বড্ড হাড্ডাহাড্ডি। প্রথমে ব্যাটিং করে ১৮৯ রান তুলে রাজশাহী রয়্যালস। চলতি বিপিএলে যা সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। পরে এতোবড় স্কোরটা তাড়া করে পাঁচ উইকেটে জিতেছে মুশফিকুর রহিমের খুলনা টাইগার্স।

অবশ্য এমন জয়ের দিনেও হয়তো আক্ষেপ হচ্ছে খুলনা ভক্তদের! মুশফিকুর রহিম যে চলতি বিপিএলের প্রথম সেঞ্চুরিটা পেলেন না মাত্র ৪ রানের জন্য।

ইনিংসের শেষ ওভারে খুলনার জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২ রান, সেঞ্চুরির জন্য মুশফিকের প্রয়োজন ছিলো ৪। স্ট্রাইক প্রান্তে মুশফিক ছিলেন বলে সেঞ্চুরির সম্ভাবনা ভালোভাবেই ছিল। কিন্তু রবি বোপারাকে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন মুশফিক। তার আগে মাত্র ৫১ বলে ৯ চার ৪ ছয়ে করেছেন ৯৪ রান। চলতি বিপিএলে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস এটি।

খুলনার হয়ে মুশফিককে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন রাইলি রুশো ও সামছুর রহমান। ৩৫ বলে ৫ চার ১ ছয়ে ৪২ করেছেন রুশো। সামছুর ২০ বলে করেন ২৯ রান। শেষ পর্যন্ত ১৯.৪ ওভারে পাঁচ উইকেট হারিয়ে জয়ের জন্য ১৯২ রান তুলে ফেলে খুলনা।

প্রথম ইনিংস:

রাজশাহী রয়্যালসের রেকর্ডগড়া স্কোরে বড় অবদান পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শোয়েব মালিকের। দলের নড়বড়ে শুরুর পর চার নম্বরে ব্যাটিং করতে নেমে ৫০ বলে ৮ চার ৪ ছয়ে ৮৭ রানের দারুণ একটা ইনিংস খেলেন পাকিস্তানি তারকা।

রাইলি রুশো ও আন্দ্রে রাসেলও বড় অবদান রেখেছেন রাজশাহীর বড় সংগ্রহে। পাঁচে নেমে ২৬ বলে ৪০ রান করে অপরাজিত ছিলেন রুশো। রাসেল শেষ দিকে ৬ বলে করেছেন ১৩।

দুদলের পরবর্তী ম্যাচ:

রাজশাহীর পরবর্তী ম্যাচ ২৩ ডিসেম্বর। এই খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষেই। খুলনার পরবর্তী ম্যাচ ১৮ ডিসেম্বর, প্রতিপক্ষ কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স।

আগামী দিনের ম্যাচ:

বঙ্গবন্ধু বিপিএলে আগামীকাল দিনের প্রথম ম্যাচে রংপুর রাইডার্সের মুখোমুখি হবে খুলনা টাইগার্স। দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের প্রতিপক্ষ ঢাকা প্লাটুন।