advertisement
আপনি দেখছেন

‘যে খেলাকে এতোটা ভালোবাসি সে খেলায় নিষেধাজ্ঞা পাওয়াতে আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। তবে আইসিসি কর্তৃক যে নিষেধাজ্ঞা পেয়েছি তা মেনে নিচ্ছি আমি।’ ছলছল নয়নে গত ৩১ অক্টোবর ক্যামেরার সামনে কথাগুলো বলছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন সাকিব আল হাসান। ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়ে তা আইসিসিকে না জানানোর দায়ে সাকিব এক বছরের নিষেধজ্ঞা পেয়েছেন মাস পাঁচেক হতে চলল। অর্থাৎ আরও সাত মাস মতো দেশের সেরা ক্রিকেটারকে মিস করবে বাংলাদেশ দল।

shakib al hasan test cricket

এদিকে, তাকে ছাড়া বাংলাদেশ জাতীয় দলের বেহাল দশা। বিশেষ করে টেস্ট ম্যাচে। ভারত সিরিজের ঠিক আগ মুহূর্তে নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন সাকিব। সে থেকে এখন পর্যন্ত তিন টেস্ট খেলে তিনটিতেই ইনিংস ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। সাকিবের অনুপস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি দুর্দশা কাটছে স্পিন ডিপার্টমেন্টের।

স্পিন ছিল বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের মূল অস্ত্র, বিশেষ করে বাঁ-হাতি স্পিনাররা। কিন্তু গত তিন টেস্টের ছয় ইনিংস বোলিং করে বাংলাদেশি স্পিনাররা উইকেট পেয়েছেন মাত্র ৪টি! রীতিমতো লজ্জার। বাংলাদেশ টেস্ট খেলা শুরু করার পর থেকে স্পিনারদের এমন দুর্দশা এসেছিল কিনা সন্দেহ।

সাকিবহীন স্পিন ডিপার্টমেন্টের ভরাডুবিতে তিন টেস্টের ছয় ইনিংস মিলিয়ে বাংলাদেশ প্রতিপক্ষকে অলআউট করতে পেরেছে মাত্র একবার, পাকিস্তানকে রাওয়ালপিন্ডি টেস্টের প্রথম ইনিংসে। 

অভিজ্ঞ স্পিনার তাইজুল ইসলামের সরল স্বীকরোক্তি, ‘সাফল্য পেতে হলে ওই (সাকিবের) মানের খেলোয়াড় উঠে আসতে হবে। এখন ওই মানের খেলোয়াড় নাই। এটাই বাস্তব। ওই মানের স্পিনার দলে আসনি বলে রেজাল্ট হচ্ছে না। আমরা সাকিব ভাইয়ের মতো না। এটাই সত্যি।’

কদিন পর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচ খেলতে নামবে বাংলাদেশ। আফ্রিকার এই দেশটি বরাবরই স্পিনে দুর্বল। কিন্তু ঘুরে দাঁড়াতে পারবে তো বাংলাদেশের স্পিন ডিপার্টমেন্ট?

sheikh mujib 2020