advertisement
আপনি দেখছেন

বাংলাদেশ টেস্ট দলে পেস বোলিংয়ের ভবিষ্যত বলা হয়ে থাকে আবু জায়েদ রাহীকে। সেই আস্থার মোটামুটি প্রতিদান দেয়ারও চেষ্টা করেন তিনি। এখন পর্যন্ত খেলা ৮ ম্যাচে মোট ১০ ইনিংসে ২০ উইকেট সংগ্রহ করেছেন। আর গত এক বছরে খেলা সর্বশেষ ৫ টেস্টে ১২ উইকেট নিয়ে তিনি দলের সেরা বোলার। যদিও সতীর্থদের ব্যর্থতায় তিনটি ম্যাচে দ্বিতীয় ইনিংসে বল করার সুযোগ পাননি। নয়তো উইকেট সংখ্যা আরো বেশি হতে পারতো।

rahi shami

তবে নিজেকে এরই মধ্যে টেস্ট দলের সেরা বোলার মানতে রাজী নন রাহী। তিনি বলেন, ‘আমি এখনো নবীন। যেখানেই খেলার সুযোগ পাই চেষ্টা করি নতুন কিছু শেখার। খেলতে চাই অনেক টেস্ট। অন্তত ৫০ থেকে ৭৫টা।’

নতুন কিছু শেখার চেষ্টাটাই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। এই যেমন গত বছরের নভেম্বরে ভারত সফরে গিয়েছিলেন। সেখানে দেশটির অন্যতম সেরা বোলার মোহাম্মদ শামির কাছে জানতে চান ভালো বোলিংয়ের রহস্য। তখন শামি তাকে পরামর্শ দিয়ে বলেছিলেন, ‘ক্ষেত চেনো? সেখানে নিয়মিত দৌড়াও। দেখবে শরীর ফিট হবে, আর বল করার গতিও বাড়বে।’

নিজের পারফরম্যান্স প্রসঙ্গে আবু জায়েদ বলেন, ‘দ্বিতীয় ইনিংসে যদি বল করার সুযোগ পেতাম কিংবা প্রতিপক্ষকে আরো কম রানে অলআউট করতে পারতাম! ইন্দোরে যদি ওই ক্যাচটা ধরা যেত (৩২ রানে জীবন পাওয়া মায়াঙ্ক আগারওয়াল পরে ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন), তাহলে ভালো হতো।’

তবে বিদেশের মাটিতে পেসারদের ভালো করার সুযোগ থাকলেও দেশে তেমন একটা থাকে না। এখানে সাধারণত ঘূর্ণি উইকেট বানানো হয়। ফলে উইকেট পেতে পেসারদের অনেক পরিশ্রম করতে হয়।

এ নিয়ে অবশ্য হতাশ নন রাহী। তিনি বলেন, দলের জন্য নিজের ভূমিকা সম্পর্কে জানাটাই আসল। দুই পেসার নাকি এক পেসার খেলবে তা টিম ম্যানেজমেন্টের ব্যাপার। বিসিএল বা জাতীয় লিগে স্পিনাররা বেশি রান দিলে পেসারদের কাজ হয় রান কম দেয়া। দলের জন্য যেটা কাজে লাগবে, সেটা করাই আসল মোটিভেশন।

sheikh mujib 2020