advertisement
আপনি দেখছেন

সীমিত ওভারের ক্রিকেট কিংবা দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেট দুই পোশাকেই মুস্তাফিজুর রহমানের ক্যারিয়ারের শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। এরপর সময় যতই গড়াচ্ছে ততই চোরাবালিতে হারিয়ে যাচ্ছেন ‘কাটার মাস্টার’। সাদা বলের ক্রিকেটে নিজেকে হারিয়ে খোঁজা মুস্তাফিজ লাল বলে তো হালে পানিই পাচ্ছেন না।

mustafizur rahman 2020 1

অফ ফর্ম ও ইনজুরি দুইয়ে মিলে কার্যত কঠিন সময় পার করছেন বাঁ-হাতি এই পেসার। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে দলে সুযোগ পেলেও টেস্ট ক্রিকেটে নিজের অপরিহার্যতা হারিয়ে ফেলেছেন মুস্তাফিজ। ঢাকা টেস্ট তার জন্য একটা ফেরার মঞ্চ হতে পারতো। কিন্তু এই টেস্টেও যে টাইগার পেসার সুযোগ পাচ্ছেন না!

টেস্ট ক্যারিয়ারের শুরুর সাত ম্যাচে কুড়ি উইকেট নিয়েছিলেন মুস্তাফিজ। এরপরই ছন্দপতনের শুরু। পরের আট টেস্টে ছয় উইকেট! লাল বলে স্বরূপে আর ফিরতেই পারলেন না। সবশেষ ভারত সিরিজের দলে ছিলেন না ফিজ। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের দলেও তাকে রাখেননি নির্বাচকরা। পরে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে (বিসিএলে) আলো ছড়িয়ে তিনি জায়গা করে নিলেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের দলে।

অবশ্য দলে সুযোগ মিললেও একাদশে যে তার থাকা হচ্ছে না- ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে তা জানিয়ে দিলেন বাংলাদেশ প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো।

আজ শুক্রবার দুপুরে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে তিনি বলেছেন, ‘আমার মনে জয়, মুস্তাফিজ এখনো টেস্ট খেলার জন্য প্রস্তুত নয়। আমরা ওকে দলে রেখেছি যাতে আমাদের নতুন বোলিং কোচের (ওটিস গিবসন) সাথে যেন টেকনিক্যাল বিষয়ে কাজ করতে পারে।’

পরক্ষণেই ফিজকে দলে রাখার পুরো ব্যাখ্যা দিলেন দক্ষিণ আফ্রিকান কোচ, ‘ওকে খেলানোর জন্য স্কোয়াডে ফেরানো হয়নি। অনুশীলন করানো, একটা কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসার জন্যই দলে রাখা হয়েছে। আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি, মুস্তাফিজ (শনিবার) খেলছে না। সামনের পাঁচ দিন দলের সঙ্গে থেকে বোলিং নিয়ে কাজ করবে ও। কীভাবে টেস্টে ফেরা যায় এ নিয়ে কাজ করবে। আপাতত ও খেলার অবস্থায় নেই, কৌশলগত কিছু কাজ করা দরকার ওর।’

অবশ্য ডমিঙ্গোর চোখে মুস্তাফিজ খেলার জন্য উপযুক্ত না হলেও প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু বলছিলেন অন্য কথা, ‘বিসিএলে ও ভালো খেলেছে। ফর্মে আছে। আগের মতো পারফর্ম করেছে। এটা বিবেচনা করেই ওকে দলে রাখা হয়েছে।’

কাটার মাস্টার সবশেষ ম্যাচটি খেলেছিলেন প্রায় এক বছর আগে, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে একমাত্র ইনিংসে এক উইকেট নিয়েছিলেন। ম্যাচে বাংলাদেশ হেরেছিল ইনিংস ও ১২ রানে।