advertisement
আপনি দেখছেন

লঘু পাপে গুরু দণ্ড পেয়েছেন বাংলাদেশ টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। জুয়াড়ির দেওয়া ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব গোপন করায় দুই বছরের (এক বছরের স্থগিত) নির্বাসন পেয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। প্রায় চার মাস ধরে মাঠের বাইরে আছেন তিনি।

nayeem hasan 2020

এই সময়ে সাকিবের অনুপস্থিতি ভালোই ‍ভুগিয়েছে বাংলাদেশ দলকে। তার শূন্যতা বেশি চোখে পড়ছে টেস্ট ক্রিকেটে। সাকিবকে ছাড়া তিনটি টেস্ট খেলে তিনটিতেই ইনিংস ব্যবধানে হেরেছে টাইগাররা। যার একটিও যায়নি পঞ্চম দিনে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চলমান ঢাকা টেস্টেও তার অনুপস্থিতি চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে।

আজ মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষা দিতে হলো বাংলাদেশের বোলারদের। দিনভর টাইগার বোলারদের ভুগিয়ে সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন প্রতিপক্ষ দলপতি ক্রেইগ আরভিন। শেষ বিকেলে ব্যক্তিগত ১০৭ রানে ফিরেছেন টপ অর্ডার এই ব্যাটসম্যান। তাতে সফরকারীরা পেয়েছে বড় সংগ্রহের ভিত।

প্রথম দিনের খেলা শেষে জিম্বাবুয়ে করেছে ছয় উইকেটে ২২৮ রান। সাকিব ম্যাচে থাকলে কিছুটা হলেও নির্ভার থাকতো বাংলাদেশ। তার অনুপস্থিতিরি কারণে বোলিং বিভাগে প্রত্যাশার চাপ বেড়ে যাচ্ছে ক্রমাগত। সেটা মানছেন নাঈম, ‘যখন যে বোলিং করবে তার দায়িত্ব এটা। আমি চেষ্টা করেছি। তবে সাকিব ভাই থাকলে ভালো হতো। আমরা ব্যাটিং-বোলিং দুই বিভাগেই তাকে পেতাম।’

সাকিবের অনুপস্থিতিতে তিন সংস্করণ মিলিয়ে বেশ কয়েকটি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। যার ফলাফল হতাশারই বেশি। হতাশা এই টেস্টে টাইগাররা কাটিয়ে উঠতে পারে কিনা কার্যত সেটাই দেখার।