advertisement
আপনি দেখছেন

টেস্ট ক্যারিয়ারে অর্ধযুগ পেরিয়ে গেছে মুমিনুল হকের। কার্যত দীর্ঘ পরিসরের পরিসরে বাংলাদেশের অধিনায়ক তিনি। দলপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বেশ চাপের মুখে ছিলেন মুমিনুল। অবশেষে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরে পেলেন। ঢাকা টেস্টের তৃতীয় দিন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে করেছেন সেঞ্চুরি। তার দলও আজ সফরকারীদের হারিয়েছে ইনিংস ও ১০৬ রানের ব্যবধানে।

mominul haque punishes a short ball

টেস্ট ক্যারিয়ারে এটা মুমিনুলের নবম সেঞ্চুরি। সবকটিই দেশের মাটিতে। এ পর্যন্ত ১৭টি টেস্ট প্রতিপক্ষের মাটিতে খেলেছেন মুমিনুল। যদিও বিদেশের মাটিতে এখনো তিন অংকের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করার সৌভাগ্য হয়নি তার। আজ ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে অবধারিতভাবেই প্রসঙ্গটা উঠল। এনিয়ে কথার বলার খুব একটা আগ্রহ নেই অধিনায়কের।

দেশের মাটিতে টেস্ট ক্রিকেটে বরাবরই দুর্দান্ত মুমিনুল। ২৩ টেস্টের ৪১ ইনিংসে ৫৭.৪০ গড়ে মুমিনুল করেছেন ২,১২৪ রান। বিদেশের মাটিতে ঠিক মুদ্রার উল্টো পিঠ। ১৭ ম্যাচে ২২.৩০ ব্যাটিং গড়ে তার রান ৭৩৬। নেই কোনো শতক। হাফসেঞ্চুরি বলতে মোটে একটি। সবচেয়ে হতাশার হচ্ছে বিদেশের মাটিতে ১১ বার ব্যাট করতে নেমে ছুঁতে পারেননি দুই অংক। পাঁচবার আউট হয়েছেন শূন্য রানে।

বিদেশের মাটিতে কদিন আগে রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই ইনিংস মিলিয়ে ৭১ রান করেছেন মুমিনুল। দুবারই হাফসেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়ে হতাশ করেছেন তিনি। আগামী ৫ এপ্রিল সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। আসন্ন করাচি টেস্টে কি বিদেশের মাটিতে শতকখরা কাটবে কিংবা অদূর ভবিষ্যতে?

উত্তরে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেছেন, ‘বিদেশের মাটিতে সেঞ্চুরি নিয়ে খুব বেশি চিন্তা করি না। কারণ, এটা পুরোপুরি মানসিক ব্যাপার। এটা নিয়ে আমি খুব বেশি কথাও বলব না। আমি চাই না এটা খারাপভাবে আমার মাথায় প্রভাব ফেলুক।’

অধিনায়কের মতো বিদেশের মাটিতে অনুজ্জ্বল বাংলাদেশ দলও। সবশেষ নয় টেস্টে হেরেছে টাইগাররা। তন্মেধ্যে সাতটি ইনিংস ব্যবধানে। যার একটিও যায়নি পঞ্চম দিনে!

এবার করাচিতে হারের বৃত্ত ভাঙতে মরিয়া বাংলাদেশ। এ জন্য বোলারদের দিকেই তাকিয়ে আছেন তিনি, ‘আমি স্বপ্ন দেখি বিদেশেও ভালো ক্রিকেট খেলব। এর জন্য আমাকে পেস বোলারদের বোলিং করাতে হবে, তারা বোলিং না করলে শিখবে না। আর এই কারণে হয়তো (ঢাকা টেস্টের) উইকেটটা সেভাবে তৈরি করা।’ মুমিনুলের স্বপ্ন দেখতে বাধা নেই। সমস্যা হচ্ছে স্বপ্ন আর বাস্তবতার ফারাকটা কমিয়ে আনতে পারবে তো তার দল?